বৃহস্পতিবার
১২ মার্চ ২০২৬, ২৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
বৃহস্পতিবার
১২ মার্চ ২০২৬, ২৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নাহিদ ঝড়ে ১১৪ রানে গুটিয়ে গেল পাকিস্তান

এনপিবি ডেস্ক
প্রকাশ : ১১ মার্চ ২০২৬, ০৫:০২ পিএম
উইকেট নিয়ে উদযাপন করছেন নাহিদ রানা ।। ছবি: সংগৃহীত
expand
উইকেট নিয়ে উদযাপন করছেন নাহিদ রানা ।। ছবি: সংগৃহীত

পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে আলোটা নিজের দিকেই টেনে নিলেন পেসার নাহিদ রান। তরুণ এই পেসারের গতি আর বাউন্সের সামনে দাঁড়াতেই ব্যর্থ হয়েছে পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইন আপ। ক্যারিয়ারের প্রথম ওয়ানডে পাঁচ উইকেট তুলে নিয়ে দলকে দারুণ শুরু এনে দেন নাহিদ। তার বোলিংয়েই স্বল্প রানেই গুটিয়ে যায় পাকিস্তান।

টসে হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে পাকিস্তান ৩০.৪ ওভারে ১১৪ রান করে অলআউট হয়। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৩৭ রান করেন ফাহিম আশরাফ। বাংলাদেশের হয়ে নাহিদ রানা ৫ উইকেট নিয়ে বোলিং আক্রমণের নেতৃত্ব দেন।

ম্যাচের শুরুতে নতুন বলে তাসকিন আহমেদ ও মুস্তাফিজুর রহমান বেশ নিয়ন্ত্রিত বোলিং করলেও উইকেট পাননি। এরপর সপ্তম ওভারে স্পিন আক্রমণে যান অধিনায়ক মেহেদি হাসান মিরাজ এবং নিজেই বল হাতে নেন। কিন্তু তখনও পাকিস্তানের উইকেটের দেখা মেলেনি।

পাওয়ার প্লের শেষ দিকে তাসকিনের জায়গায় আক্রমণে আনা হয় নাহিদ রানাকে। প্রথম ওভারেই সাফল্য এনে দেন তিনি। কাট করতে গিয়ে পয়েন্টে আফিফ হোসেনের হাতে ধরা পড়ে ফেরেন ওপেনার সাহিবজাদা ফারহান। ২৭ রান করা এই ব্যাটারের বিদায়ে ভেঙে যায় ৪১ রানের উদ্বোধনী জুটি।

এরপর যেন আরও ভয়ংকর হয়ে ওঠেন নাহিদ। নিজের পরের কয়েক ওভারের মধ্যেই একের পর এক উইকেট তুলে নেন তিনি। শ্যামল হোসাইন, মাজ সাদাকাত, মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সালমান আলি আগাকে সাজঘরে ফিরিয়ে পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইনআপে বড় ধস নামান এই ডানহাতি পেসার। এর মধ্য দিয়েই পূর্ণ হয় তার ওয়ানডে ক্যারিয়ারের প্রথম পাঁচ উইকেট নেওয়ার কীর্তি।

নাহিদের দাপটের মাঝে পরে উইকেট শিকারে যোগ দেন মেহেদি হাসান মিরাজও। তার বলে উইকেটকিপার লিটন দাসের ক্যাচে ফেরেন আব্দুল সামাদ।

এরপর হোসাইন তালাতকে ‘লেগ বিফোরের’ ফাঁদে ফেলেন তিনি। একই ওভারে শাহিন শাহ আফ্রিদিকেও ফিরিয়ে পাকিস্তানের বিপর্যয় আরও বাড়ান বাংলাদেশের অধিনায়ক।

দ্বিতীয় স্পেলে এসে তাসকিন আহমেদও একটি উইকেট তুলে নেন। তার বলে প্রথম স্লিপে নাজমুল হোসেন শান্তর হাতে ধরা পড়েন মোহাম্মদ ওয়াসিম।

৮২ রানে নবম উইকেট হারানোর পর পাকিস্তান তখন একশ রানও পার করতে পারবে কি না, সেই শঙ্কা দেখা দেয়। তবে শেষদিকে কিছুটা লড়াই করেন ফাহিম আশরাফ। আবরার আহমেদের সঙ্গে শেষ উইকেটে ৩২ রানের জুটি গড়ে দলকে একশ পার করান তিনি। ফাহিমের ৩৭ রানের ইনিংসে ভর করে শেষ পর্যন্ত ১১৪ রানে থামে পাকিস্তানের ইনিংস।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন