

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


টানা দ্বিতীয়বার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শিরোপা জিতে ইতিহাসে নতুন এক অধ্যায় যোগ করল ভারত। আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনালে নিউজিল্যান্ডকে ৯৬ রানের বিশাল ব্যবধানে হারিয়েছে সূর্যকুমার যাদবের দল। এর আগে ২০২৪ সালে অনুষ্ঠিত আসরে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে শিরোপা জিতেছিল ভারত।
ফাইনালে টস জিতে আগে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন নিউজিল্যান্ডের অধিনায়ক মিচেল স্ল্যান্টনার। তবে শুরু থেকেই ভারতীয় ব্যাটারদের আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে সেই সিদ্ধান্ত খুব একটা কাজে আসেনি। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ২৫৫ রানের বড় সংগ্রহ গড়ে ভারত।
ইনিংসের শুরুতেই ঝড় তোলেন ওপেনার অভিষেক শর্মা। মাত্র ১৮ বলে অর্ধশতক পূর্ণ করে বিশ্বকাপের নকআউট ম্যাচে দ্রুততম ফিফটির রেকর্ড গড়েন তিনি।
পাওয়ারপ্লের ছয় ওভারে কোনো উইকেট না হারিয়ে ৯২ রান তোলে ভারত, যা ফাইনালের ইতিহাসে সর্বোচ্চ পাওয়ারপ্লে সংগ্রহ। ২১ বলে ৫২ রান করে শেষ হয় অভিষেকের ইনিংস।
এরপর রান তোলার গতি ধরে রাখেন আরেক ওপেনার সঞ্জু স্যামসন ও ইশান কিষাণ। স্যামসন ৪৬ বলে ৫ চার ও ৮ ছক্কায় ৮৯ রানের দারুণ ইনিংস খেলেন। অন্যদিকে ইশান কিষাণ ২৫ বলে করেন ৫৪ রান। শেষ দিকে শিভম দুবে ২৪ রানের কার্যকর ইনিংস খেললে ভারতের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৫৫ রান।
২৫৬ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই চাপে পড়ে নিউজিল্যান্ড। পাওয়ারপ্লে শেষ হওয়ার আগেই ৪৭ রানে ৩ উইকেট হারায় দলটি। দ্রুত ফিরে যান ফিন এলেনস, রাচিন রবীন্দ্র ও গ্লেন ফিলিপ।
একপ্রান্তে কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন ওপেনার টিম শেফার্ট। তিনি ২৬ বলে ৫ ছক্কা ও ২ চারে ৫২ রান করে সাজঘরে ফেরেন। পরে অধিনায়ক স্যান্টনার ৪৩ এবং ড্যারি মিচেল ১৭ রান করে ব্যবধান কমানোর চেষ্টা করলেও ম্যাচে আর ফিরতে পারেনি নিউজিল্যান্ড। শেষ পর্যন্ত ১৫৯ রানেই গুটিয়ে যায় কিউইদের ইনিংস।
ভারতের হয়ে বোলিংয়ে সবচেয়ে সফল ছিলেন জসপ্রিত বুমরাহ। তার ঝুলিতে গেছে ৪ উইকেট। অক্ষর প্যাটেল শিকার করেন ৩টি উইকেট। এছাড়া একটি করে উইকেট পান বরুণ চক্রবর্তী, হার্দিক পাণ্ডিয়া ও অভিষেক শর্মা।
এর আগে ২০০৭ সালে পাকিস্তানকে হারিয়ে প্রথমবার টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতেছিল ভারত। এরপর ২০২৪ সালে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে দ্বিতীয় শিরোপা পায় তারা। এবার আবারও বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়ে টানা দুই আসরে শিরোপা জয়ের গৌরব অর্জন করল ভারত।
মন্তব্য করুন
