বুধবার
০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
বুধবার
০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

‘পাকিস্তানকে শাস্তি দেয়ার এখতিয়ার নেই আইসিসির’

এনপিবি ডেস্ক
প্রকাশ : ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৮:১৪ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
expand
ছবি: সংগৃহীত

আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ ‘বয়কট’ করেছে পাকিস্তান। রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) পাকিস্তান সরকার তাদের সরকারি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মাধ্যমে ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্তের কথা জানায়। যদিও এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি নিয়ে আইসিসিতে কোনো চিঠি কিংবা যোগাযোগ করেনি পিসিবি।

আশঙ্কা করা হচ্ছে, শেষ পর্যন্ত পাকিস্তান সত্যি সত্যি ম্যাচটি না খেললে বড় শাস্তির মুখে পড়তে পারে। তবে আইসিসির সাবেক চেয়ারম্যান এহসান মানি দাবি করেছেন, টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের ম্যাচ বয়কট করার কারণে পাকিস্তানকে শাস্তি দিতে পারে না আইসিসি।

তিনি বলছেন, এই সিদ্ধান্ত সরকারিভাবে নেওয়া হয়েছে, ফলে এটি আইসিসির শৃঙ্খলামূলক এখতিয়ারের বাইরে পড়ে।

স্পোর্টস স্টারকে দেয়া সাক্ষাৎকারে আইসিসির সাবেক চেয়ারম্যান মানি বলেন, ‘সরকারি নির্দেশনা মেনে চললে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে কোনো নিষেধাজ্ঞা হতে পারে না। এই যুক্তিতেই ভারত ২০২৫ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ম্যাচগুলো পাকিস্তানে খেলতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিল। এখানে দ্বৈত মানদণ্ড চলতে পারে না। সমস্যার সমাধান করার বদলে আইসিসি কেবল দর্শকের ভূমিকায় দাঁড়িয়ে আছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এই পরিস্থিতি কার্যত সরকারগুলোর জন্য ক্রিকেটীয় সিদ্ধান্তে হস্তক্ষেপের দরজা খুলে দিয়েছে—বিশেষ করে যখন পিসিবি চেয়ারম্যান নিজেই পাকিস্তান সরকারের একজন বর্তমান মন্ত্রী।’

যদিও ম্যাচ ‘বয়কট’ সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে আইসিসি। পাশাপাশি সতর্ক করেছে যে বেছে বেছে অংশগ্রহণ করলে শাস্তিমূলক পরিণতি হতে পারে।

এক বিবৃতিতে সংস্থাটি জানিয়েছে, ‘আইসিসি আশা করে পিসিবি নিজ দেশের ক্রিকেটের ওপর এর গুরুত্বপূর্ণ ও দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব বিবেচনা করবে, কারণ এটি বৈশ্বিক ক্রিকেট ইকোসিস্টেমকে প্রভাবিত করবে—যার সদস্য ও উপকারভোগী পিসিবি নিজেই।’

এদিকে আইসিসি ইভেন্টে ভারত–পাকিস্তান ম্যাচ ঐতিহ্যগতভাবে সবচেয়ে আকর্ষণীয় লড়াই। এ ম্যাচটি না হলে বিপুল সংখ্যক স্পনসরশিপ হাাতে পারে আইসিসি। সবমিলিয়ে আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি ম্যাচে যদি পাকিস্তান সত্যি সত্যি ওয়াকওভার করে তাহলে বাণিজ্যিকভাবে বড় ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, সম্প্রচারকারীরা বিজ্ঞাপন আয়ে প্রায় ২০০ থেকে ২৫০ কোটি রুপি পর্যন্ত ক্ষতির মুখে পড়তে পারে।

মানির মতে, আনুষ্ঠানিক শাস্তি হওয়ার সম্ভাবনা কম। তবে টুর্নামেন্টের সবচেয়ে আলোচিত ম্যাচ ঘিরে অনিশ্চয়তা বাড়তে থাকায়, আইসিসির হাতে আর্থিক ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষমতা থেকেই যাচ্ছে।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

X