

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বয়কটের ঘোষণার পর এবার জরুরি ভার্চুয়াল সভা ডেকেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।
সূত্রের বরাত দিয়ে খবরটি জানিয়েছে পাকিস্তানি গণমাধ্যম জিও সুপার।
এর আগে, নানা জল্পনা কল্পনা শেষে বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ খেলবে না বলে জানিয়েছিল পাকিস্তান। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ ও দেশটির ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) চেয়ারম্যান মহসিন নকভির মধ্যে এক বৈঠকের পর এমন সিদ্ধান্ত ঘোষণা দেওয়া হয়।
রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) পাকিস্তান সরকার তাদের সরকারি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মাধ্যমে ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্তের কথা জানায়।
সরকারি বিবৃতিতে বলা হয়, পাকিস্তান দলকে টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণের অনুমতি দেয়া হলেও ভারতের বিপক্ষে মাঠে নামার অনুমোদন দেওয়া হয়নি।
ক্রিকেট বিশ্লেষকরা বলছেন, পাকিস্তানের এমন পদক্ষেপে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে পারে আইসিসি। যার প্রেক্ষিতেই আজকের এই জরুরি বৈঠক আয়োজন করা হয়েছে।
এদিকে সরকারিভাবে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বয়কটের ডাক দিলেও এখনও এ নিয়ে আইসিসিতে কোনো আনুষ্ঠানিক চিঠি কিংবা যোগাযোগ করেনি পিসিবি। প্রাথমিক প্রতিক্রিয়ায় বৈশ্বিক ক্রিকেট নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। আইসিসির মতে, বেছে বেছে ম্যাচে অংশগ্রহণ বিশ্বমানের ক্রীড়া আসরের মৌলিক নীতির পরিপন্থী। সংস্থাটি সতর্ক করে জানিয়েছে, এমন সিদ্ধান্ত প্রতিযোগিতার চেতনাকেই ক্ষতিগ্রস্ত করে।
তাছাড়া আইসিসি পাকিস্তান সরকারের মতামতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকার কথা জানালেও পিসিবিকে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছে। সংস্থাটি বলছে, এই অবস্থান ক্রিকেট এবং খেলাটির বৈশ্বিক সমর্থকদের স্বার্থের জন্য ক্ষতিকর।
সূত্রের বরাত দিয়ে জিও সুপার বলছে, সব পক্ষের স্বার্থ রক্ষায় পারস্পরিক গ্রহণযোগ্য সমাধানের পথে এগিয়ে আসার জন্য পিসিবিকে অনুরোধও জানিয়েছে আইসিসি। আসন্ন বৈঠকে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা হবে।
সম্ভাব্য শাস্তির মধ্যে রয়েছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের ওপর বড় অঙ্কের আর্থিক জরিমানা আরোপ এবং ভবিষ্যতের আইসিসি টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণে নিষেধাজ্ঞা।
এছাড়া, অন্যান্য শীর্ষ ক্রিকেট খেলুড়ে দেশগুলোর সঙ্গে পাকিস্তানের দ্বিপাক্ষিক সিরিজ সীমিত করা এবং পাকিস্তান সুপার লিগে বিদেশি খেলোয়াড় অংশগ্রহণে বিধিনিষেধ আরোপের বিষয়টিও আলোচনায় থাকতে পারে।
বয়কট হওয়া ম্যাচের কারণে সম্প্রচারক ও অন্যান্য বাণিজ্যিক অংশীদারদের যে আর্থিক ক্ষতি হবে, তার ক্ষতিপূরণ দিতেও পিসিবিকে দায়ী করা হতে পারে।
মন্তব্য করুন

