

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


১৮ ওভারের শেষে সিলেট টাইটান্সের সংগ্রহ ১৩৫ রান। পরিস্থিতি তখনও ঢাকা ক্যাপিটালসের পক্ষে জয় সহজ মনে হচ্ছিল না। কিন্তু ১৯তম ওভারে নাসির হোসেনের করা বলে মঈন আলী একেবারে ঝড় তুলেন। ওই ওভারেই তিনটি ছক্কা এবং দুটি চার মেরে তিনি একত্রে ২৮ রান তুলেন, যা ম্যাচের ধারা পুরোপুরি পাল্টে দেয়। শেষ পর্যন্ত ২০ রানের ব্যবধানে হেরে যাওয়ার পর অধিনায়ক মোহাম্মদ মিঠুন স্বীকার করেন, নাসিরকে ১৯তম ওভারে পাঠানো ছিল তার জীবনের বড় ভুলের একটি।
মিঠুন বলেন, নাসির আগের তিন ওভারে মাত্র ৭ রান খরচ করেছে এবং একটি উইকেটও নিয়েছে। তখন ভেবেছিলাম, মঈন ক্রিজে আসার পর নাসির হয়তো তাকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারবে, কিংবা উইকেট তুলে দেবে। কিন্তু বাস্তবে তা সম্ভব হয়নি। তিনি আরও জানান, হাতে অন্য বোলিং অপশন থাকা সত্ত্বেও সেগুলো ব্যবহার না করা ভুল হয়েছে।
নাসিরের আগের পারফরম্যান্সের ওপর ভরসা রেখে তাসকিন আহমেদ ও মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনের ওভার থাকা সত্ত্বেও তার হাতে বল তুলে দিয়েছিলেন অধিনায়ক। তবে নাসির সেই আস্থা রাখার প্রতিদান দিতে পারেননি। শেষ ওভারে মঈন আরও দুটি ছক্কা হাঁকিয়ে সিলেটের স্কোর ১৮০ রানে নিয়ে যান।
১৮০ রান তাড়া করা সম্ভব ছিল কি না এমন প্রশ্নের জবাবে মিঠুন বলেন, শুরুর দিকে লক্ষ্য অসম্ভব মনে হয়নি। কিন্তু মাঝের ওভারগুলোতে সিলেটের বোলাররা দারুণভাবে পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেছে। উইকেটও তাদের সহায়তা করেছে।
তিনি আরও ব্যাখ্যা দেন, শিশির পড়ার সময় সাধারণত বল ব্যাটে ভালো আসে, কিন্তু এদিন ১৫তম ওভারে মঈন ক্রিজে আসার পর বল টার্ন করছিল, যা রান তাড়াকে কঠিন করেছে।
ঢাকার ব্যাটিং পারফরম্যান্স নিয়ে হতাশা প্রকাশ করে মিঠুন বলেন, একটি ম্যাচ ছাড়া আমরা সব ম্যাচেই লড়াই করেছি। কিন্তু শেষ দিকের ওভারগুলোতে ছোট ছোট ভুলের কারণে ফল আমাদের পক্ষে আসে না। যেখানে প্রতিপক্ষকে ১৪০ রানে আটকে রাখা সম্ভব ছিল, সেখানে রান গিয়ে দাঁড়াচ্ছে ১৬০-তে।
ডেথ ওভারের বোলিং নিয়ে দলের মধ্যে আলোচনা চলছে বলে জানিয়ে মিঠুন বলেন, এ সময় বোলারদের মানসিকভাবে পরিষ্কার থাকা এবং সঠিক এক্সিকিউশন অপরিহার্য। ছোট ভুলগুলো কমালে আমরা আরও ভালো অবস্থানে থাকতে পারতাম।
মন্তব্য করুন

