

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। রায়টি সোমবার (১৭ নভেম্বর) ঘোষণা করা হয়।
রায় ঘোষণার পর ভারতের প্রধান বিরোধীদল কংগ্রেসের শীর্ষস্থানীয় নেতা শশী থারুর প্রতিক্রিয়া জানান, যা দ্রুতই সামাজিকমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এতে তোলপাড় সৃষ্টি হয়।
থারুর বলেন, তিনি নীতিগতভাবেই মৃত্যুদণ্ডের বিরোধী, তাই এই সিদ্ধান্ত তাকে বিশেষভাবে ব্যথিত করেছে। তাঁর ভাষায়, “যে দেশেই হোক, মৃত্যুদণ্ড আমি সমর্থন করি না।
অন্য দেশের আদালতের বিষয়ে কথা বলা ঠিক নয়, কিন্তু রায়টি যে উদ্বেগের জায়গা তৈরি করেছে, তা অস্বীকার করার সুযোগ নেই।”
ট্রাইব্যুনালের রায়ে শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ড ও আমৃত্যু কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
একই মামলায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেওয়া সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। পাশাপাশি হাসিনা ও কামালের দেশে থাকা সম্পদ বাজেয়াপ্ত করে তা জুলাইয়ের ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে বিতরণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এদিকে, আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে—বাংলাদেশের এই রায় ভারতকে নতুন একটি কূটনৈতিক চাপের মুখে ফেলেছে।
কারণ, বাংলাদেশ ইতোমধ্যে শেখ হাসিনাকে ফেরত চেয়ে প্রত্যর্পণ অনুরোধ পাঠালেও, নয়াদিল্লি তাতে সাড়া দেয়নি। অথচ দুই দেশের মধ্যে অপরাধী প্রত্যর্পণ চুক্তি বিদ্যমান।
জানা যায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের পরপরই শেখ হাসিনা ভারতে আশ্রয় নেন। এরপর তাকে ফেরত পেতে বাংলাদেশ সরকার দুই দফায় অনুরোধ পাঠায়, কিন্তু ভারত তা কার্যকর করেনি।
মন্তব্য করুন
