

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ আওয়ামী লীগের পদধারী নেতা ও ব্যবসায়ীকে পুনর্বাসন এবং আওয়ামী ব্যবসায়ী ও ‘ডামি এমপিদের’ প্রটেকশন দিয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) এক ফেসবুক পোস্টে তিনি এসব অভিযোগ করেন।
পোস্টে রাশেদ খাঁন বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় আসিফ মাহমুদ অন্তত একজন আওয়ামী লীগের পদধারী নেতা ও ব্যবসায়ীকে পুনর্বাসন করেছেন। বিষয়টি তিনি নিজে জানতেন দাবি করে রাশেদ বলেন, এ বিষয়ে ওই সময় আসিফ মাহমুদকে সরাসরি কয়েকবার সতর্ক করেছিলেন। তবে আসিফ মাহমুদ তাতে কোনো গুরুত্ব দেননি বলে দাবি তার।
তিনি বলেন, বিষয়টি জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতারাও জানতেন। তিনি তখন এনসিপির নেতাদের বিষয়টি জানালে তারা তাকে বলতেন, ‘আসিফ তো আমাদের কেউ না! তার সঙ্গে এনসিপির কোনো যোগাযোগ ও সম্পর্ক নাই।’
তিনি আরো বলেন, দুর্নীতি ও বিতর্কের দায় এড়াতে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামও বিভিন্ন সময় গণমাধ্যমে বলেছেন, দুই ছাত্র উপদেষ্টার সঙ্গে এনসিপির কোনো সম্পর্ক নেই।
আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে অর্থ লেনদেনের অভিযোগও তোলেন রাশেদ খাঁন। তিনি বলেন, ‘আসিফ মাহমুদ একজনকে বড় অঙ্কের অর্থ দিয়েছিল। যে তথ্য আমি নিজে জানি।’ এ ছাড়া ওই সময় আসিফ মাহমুদের এপিএস মোয়াজ্জেমের কাছ থেকেও বেশ কিছু তথ্য তার কাছে এসেছিল বলে দাবি করেন তিনি।
রাশেদ খাঁন জানান, আসিফ মাহমুদ ও তার এপিএস মোয়াজ্জেমকে ঘিরে পাওয়া এসব তথ্য তিনি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আরেকজন উপদেষ্টাকে জানিয়েছিলেন। তার দাবি, ওই উপদেষ্টা তথ্যগুলো পাওয়ার পর তাকে বলেছিলেন, ‘আমরা যে বেতন পাই, সেটা দিয়ে চলতে পারি না, আর ওরা মানুষকে লাখ লাখ টাকা দেয়! স্বাভাবিক বেতন থেকে এটা দেওয়া যায়?’
ফেসবুক পোস্টে নাহিদ ইসলাম ও এনসিপির জ্যেষ্ঠ নেতা আখতার হোসেনসহ অন্য নেতাদের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন রাশেদ খাঁন। এসব তথ্য তারা জানেন বলেই আসিফ মাহমুদের পাশে শক্তভাবে দাঁড়াচ্ছেন না।
পোস্টের শেষদিকে আসিফ মাহমুদের সমালোচনা করে রাশেদ খাঁন বলেন, চোরের মায়ের বড় গলা, আসিফ মাহমুদের অবস্থাও সেরকম হয়েছে।

