

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


এনসিপি নেতা আসিফ মাহমুদের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তুলে তার বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগ প্রসঙ্গে কড়া মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। তিনি দাবি করেছেন, জামায়াতবিরোধী অবস্থানে থাকাকালে আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলোকে গুরুত্ব দেওয়া হলেও বর্তমানে জামায়াত-সমর্থিত রাজনীতির সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতার কারণে সেসব অভিযোগ আর সামনে আসছে না। পাশাপাশি ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচন থেকে সরে গিয়ে উত্তরের রাজনীতিতে যাওয়ার বিষয়টিকেও তিনি ‘সেফ এক্সিট’ হিসেবে মন্তব্য করেছেন।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) নিজের ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, আসিফ মাহমুদ যেসময় জামায়াত বিরোধী ছিলেন, সেসময় তার বিরুদ্ধে আনীত সকল অভিযোগ সত্য ছিলো! এবং সেসময় দুর্নীতির অভিযোগে ড. মুহাম্মাদ ইউনূসের অনুরোধ সত্ত্বেও জামায়াতের আমির তাকে ঢাকা-১০ আসনের নমিনেশন পর্যন্ত দেননি। এখন যেহেতু তিনি জামায়াত জোটের রাজনীতির চর্চা করেন, সুতরাং তার বিরুদ্ধে আনীত সকল অভিযোগ ভিত্তিহীন!
পোস্টে রাশেদ খাঁন বলেন, একজন ব্যক্তি অপরাধী নাকি নিরপরাধ ,সেটি নির্ভর করে সে জামায়াতের লোক কি না! জামায়াত করলে বা জামায়াতকে সমর্থন করলে, একজন ব্যক্তির সমস্ত অপরাধ ধুয়েমুছে যায় এবং তিনি পুরোদস্তুর ফেরেস্তা হয়ে যান! আর তাই আসিফ মাহমুদও তার অভিযোগ থেকে দায়মুক্তি পেতে জামায়াত জোটে যোগদান করেছেন!
‘এখন আসিফ মাহমুদ পুরোপুরি নিষ্পাপ ,একদম কলঙ্কমুক্ত! আবার যদি কখনো এনসিপি জামায়াত জোট ছাড়ে, তখন আর দুদক লাগবে না, জামায়াত শিবিরই তার দুর্নীতির বিচারের রায় দিয়ে দিবে!’ মন্তব্য করে তিনি বলেন, দেখা যাক, আসিফ মাহমুদ আর কতদিন জমায়াত জোটের রাজনীতি করে নিজেকে সেইফ করতে পারেন!
আসিফ মাহমুদ বাঁচার জন্য ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন থেকে সেইফ এক্সিট নিয়েছেন দাবি করে রাশেদ খান পোস্টে বলেন, জামায়াত তাকে ঢাকা দক্ষিণ ছাড়বে না, সাফ জানিয়ে দেওয়ার পর তিনি উত্তরে গেছেন! পরবর্তীতে জামায়াত নেতা সেলিম উদ্দিনকে সমর্থন দিয়ে তিনি বসে পড়বেন!
পোস্টের শেষে তিনি বলেন, গণঅভ্যুত্থানের একজন গুরুত্বপূর্ণ মুখপাত্রকে জামায়াতের সমর্থনে দুর্নীতি থেকে বাঁচতে এতো বড় ত্যাগ স্বীকার করতে হচ্ছে... খুবই দুঃখজনক , খুবই দুঃখজনক!

