

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


জাতীয় সংসদে নারী সংসদ সদস্যকে নিয়ে করা মন্তব্যকে ‘অপমানজনক’ ও ‘নারীবিদ্বেষী’ আখ্যা দিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শেহরীন আমিন ভূঁইয়া।
নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এমন মন্তব্য করেন।
শেহরীন আমিন ভূঁইয়া পোস্ট হুবহু তুলে ধরা হলো....
‘I swear I tried not to speak about this… কিন্তু নিউজ ফিডে যতবার ক্লিপটি আসছে, ততবার আমার মেজাজ খারাপ হচ্ছে। কিছু না বলা/লিখা অব্দি আমার শান্তি লাগবে না, তাই মনের ভাব প্রকাশ করেই ফেলি। তার জন্য হয়তো নতুন করে আবার ট্রোল হওয়া লাগবে, আবার শুনতে হবে আমি জামাতি ম্যাডাম, শুনলাম নাহয়। দাড়ি টুপি পরে ইসলামি ভেশ ধরে যখন ইসলামকে সম্মান/ ওউন করতে অনেকে পারেন না..... ফেমিনিস্ম আর নারীর স্বাধীনতার কথা বলে বলে মুখে ফেনা তুলে ফেলা নারীরা যখন ভিন্নমতের নারীদের অবমাননা / অপমান কে উপেক্ষা করে ,অট্টহাসিতে মেতে উঠে।
তখন, আমি নাহয় সঠিক কথা বলার জন্য , কিছু বেঠিক কথা শুনলাম। How insensitive can a room full of parliamentarians be to laugh at such derogatory comment made about their fellow female parliamentarians??!!!
একটি সংসদে কেন নারীর পোশাক নিয়ে কথা হবে? হিজাব নিকাব পরা নিয়ে কেন এরকম কটুক্তি করা হবে?? আজকে যদি সংসদে অন্য কোনো নারীকে বেপর্দা বলা হতো?? তাহলে কি হতো? রাগ হতো নাহ? আমার তো অনেক রাগ হতো , আমি তো পর্দা করিনা। আমাকে যখন কমেন্টে বেপর্দা বলে, আমার তো রাগ হয়। পর্দা করা / না করা পারসোনাল চয়েস।
পোশাকের স্বাধীনতা আমাদের সবার আছে।
Then why is it that those who choose to cover will be ridiculed repeatedly for their choice ?? আপনারা নারীরা যারা হাসলেন, কি বুঝে হাসলেন?? বেসিক কিছু ডিসেন্সি তো আপনাদের রাখা উচিত ছিলো! আপনার ফেলো ফিমেল কলিগদের এভাবে অপমান করা হলো, হোক না তারা ভিন্ন দলের/মতের, নারী হিসেবে আপনারও তো অপমান! ( P.S. I truly admire our honourable speaker for addressing this offensive statement instantly)’
