

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


এনসিপির নেত্রী মনিরা শারমিনকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনামূলক মন্তব্য করেছেন গণঅধিকার পরিষদের উচ্চতর পরিষদ সদস্য ও গণমাধ্যম সমন্বয়ক আবু হানিফ। তার দাবি, মনিরা শারমিন ছাত্রলীগ নেতাকে বিয়ে করে সরকারি চাকরি করছিলো।
শনিবার (১৩ মে) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে আবু হানিফ দাবি করেন, মনিরা শারমিন আমাদের সাথে ২০১৮ সালে কিছুদিন আন্দোলন সংগ্রামে ছিলো। এর পর ক্যারিয়ার মূখ্য হয়ে উঠে তার কাছে। কথিত আছে ছাত্রলীগ নেতাকে বিয়ে করে সরকারি চাকরি করছিলো মনিরা শারমিন। এর পর আর কোন দিন অন্যায় অনিয়মের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে দেখা যায় নি, জুলাই অভ্যুত্থানের শেষ দিকে এসে অনেকটা হাইরা দিয়েই বড় নেত্রী বনে গেছেন। তার চেয়ে নুসরাত তাবাসসুমদের ভূমিকা হাজার গুণ বেশী। হাসিনার পতন না হলে মনিরা শারমিনরা এখনও আরামে সরকারি চাকরি করতো। ফ্যাসিবাদের আচড়ও তার গায়ে লাগতো না।
একই পোস্টে আবু হানিফ গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরের রাজনৈতিক ভূমিকার পক্ষে বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, নুরুল হক নুর ১৯ সালে বলেছিলো শেখ হাসিনার চেহারায় মায়ের প্রতিচ্ছবি দেখা যায়। অবশ্য এর পরের দিনই মধুর ক্যান্টিনে সংবাদ সম্মেলনে হাসিনাকে স্বৈরাচার বলেছিলো। এমনকি অসংখ্য বার হাসিনার পতন চেয়ে রাজপথে আন্দোলন করেছে। যার ফলে বার বার হামলার শিকার হয়েছে নুরুল হক নুরসহ গণঅধিকার পরিষদের অসংখ্য নেতাকর্মী। সবশেষ জুলাই আন্দোলনের সময়ও নুরুল হক নুর রিমান্ডে ছিলো। হাসিনার পতন না হলে নুরের কতদিন জেলে থাকা লাগতো বা আদৌ মুক্ত হত কিনা তা বলা কঠিন।
পোস্টের শেষে তিনি লেখেন, নুরুল হক নুরের যখন আর কোন দোষ খুঁজে না পায় তখনই ঐই এক গান বার বার বাজায় এই মনিরা শারমিন রা। অথচ সারা বাংলাদেশের জনগণ জানে এই গণঅভ্যুত্থানের উদ্যোক্তা সংগঠন গণঅধিকার পরিষদ ও নুরুল হক নুর। ক্রেডিট নেওয়ার অনেক উপায় আছে কিন্তু নুরুল নুরকে অবদানকে অস্বীকার করে নিজেদের কে মহান করার কোন সুযোগ নাই।
