

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ইসলামের ইতিহাসে মক্কা বিজয় একটি অনন্য মাহেন্দ্রক্ষণ। দীর্ঘ ২১ বছর পর প্রিয়নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিজয়ীর বেশে নিজ জন্মভূমি মক্কায় প্রবেশ করেন। কিন্তু এই বিজয়ে ছিল না প্রতিশোধ বা অহংকারের কোনো ছাপ-বরং করুণা, ক্ষমা ও তাওহিদের জয়।
এই ঐতিহাসিক দিনে কাবা শরিফের ছাদে প্রথমবারের মতো আজান দেওয়ার সৌভাগ্য অর্জন করেন ইসলামের প্রথম মুয়াজ্জিন হযরত বিলাল ইবনে রাবাহ (রাদিয়াল্লাহু আনহু)।
তিনি ছিলেন একসময় মক্কার দাস, যিনি ইসলাম গ্রহণের পর অকথ্য নির্যাতন সয়েছেন শুধুমাত্র আহাদ, আহাদ, এক আল্লাহর স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য।
বিজয়ের দিন নবী করিম (সা.) তাঁকে সম্মানের আসনে বসান এবং কাবা ঘরের ছাদে উঠিয়ে বলেন, বিলাল, আজ আল্লাহর ঘরে আজান দাও।
এরপর হযরত বিলাল (রা.)-এর কণ্ঠে ধ্বনিত হয় ইতিহাসের সেই অবিস্মরণীয় আজান, যার প্রতিধ্বনি ছড়িয়ে পড়ে মক্কার পর্বত, উপত্যকা ও মানুষের হৃদয়ে।
এই আজান ছিল শুধু নামাজের আহ্বান নয়, বরং মুক্তির ঘোষণা, দাসত্ব, জাহেলিয়াত ও মূর্তিপূজার অন্ধকার থেকে তাওহিদের আলোয় প্রত্যাবর্তনের প্রতীক।
আজও মুসলিম বিশ্বের প্রতিটি আজানে সেই বিজয়ের সুর ও বিলালের কণ্ঠস্মৃতি জড়িয়ে আছে। এ কারণেই ইতিহাসবিদরা বলেন, মক্কা বিজয়ের আজান ছিল ইসলামের বিজয়ের প্রতীকী ঘোষণাপত্র।”
মন্তব্য করুন
