

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


আলোচিত তরুণ ইসলামিক বক্তা আবু ত্বহা মোহাম্মদ আদনান আবারো আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।
সম্প্রতি তার স্ত্রী সাবিকুন্নাহার সারাহ ফেসবুকে একটি দীর্ঘ পোস্ট দিয়ে স্বামীর বিরুদ্ধে পরকীয়ার অভিযোগ তুলেছিলেন।
স্ট্যাটাসে তিনি দাবি করেন, আদনান তার পুরোনো বান্ধবী, যিনি বর্তমানে একজন বিমানবালা, তার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক বজায় রেখেছেন। তারা নিয়মিত ফোনে কথা বলেন, চ্যাট করেন এমনকি লং ড্রাইভেও যান বলে উল্লেখ করেন তিনি। তবে কিছুক্ষণের মধ্যেই সারাহ সেই পোস্টটি ডিলিট করে দেন।
ঘটনাটি প্রকাশ পাওয়ার পরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার ঝড় ওঠে। কেউ বলছেন তার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট হ্যাক হয়েছে, আবার কেউ মনে করছেন এটি সত্যি হতে পারে।
২০১৭ সালে ইউটিউবে বক্তৃতা শুরু করে দ্রুত জনপ্রিয়তা পান আবু ত্বহা আদনান। তিনি কিয়ামতের আলামত, দাজ্জাল, সামাজিক সংকট ও মুসলিম সমাজের চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা করে পরিচিতি পান। একই সঙ্গে তিনি ‘জিন নুরাইন অনলাইন মাদ্রাসা’ পরিচালনা করেন।
২০২৩ সালের জুনে তিনি ঢাকায় যাওয়ার পথে নিখোঁজ হয়ে যান এবং আট দিন পর রংপুরে শ্বশুরবাড়িতে ফিরে আসেন। পুলিশ দাবি করে তিনি ব্যক্তিগত কারণে আত্মগোপনে ছিলেন, তবে আদনান বলেন তিনি সরকারি বাহিনীর হাতে গুম হয়েছিলেন। সেই ঘটনাও তাকে জাতীয়ভাবে আলোচনায় আনে।
স্ত্রীর অভিযোগের পর আদনান একটি ফেসবুক পোস্টে দাবি করেন, তার ব্যক্তিগত মোবাইল ফোন ভোরে চুরি হয়ে গেছে। তাই তার নাম বা ফেসবুক পেজ ব্যবহার করে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হতে পারে বলে তিনি সতর্ক করেন।
পরে সাবিকুন্নাহার সারাহ আরেকটি পোস্টে আগের অভিযোগ প্রত্যাহার করে নেন। তিনি জানান, কিছু হিংসুক মানুষ তাকে বিভ্রান্ত করেছে এবং ভুল তথ্য দিয়েছে। এজন্য তিনি আল্লাহ ও তার স্বামীর কাছে ক্ষমা চান এবং আদনানকে কাজ ও চরিত্রের দিক থেকে পবিত্র বলে উল্লেখ করেন।
যদিও বিষয়টি নিয়ে স্বামী-স্ত্রী উভয়ই ভিন্ন ভিন্ন ব্যাখ্যা দিয়েছেন, তবে জনমনে এখনো প্রশ্ন থেকে গেছে। যদি আদনানের ফোন সত্যিই চুরি হয়ে থাকে, তবে কীভাবে তার স্ত্রীর ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে এমন স্ট্যাটাস দেওয়া হলো? আর কেনই বা কিছুক্ষণের মধ্যেই সেটি মুছে ফেলা হলো?
এই ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভক্ত ও সমালোচকদের মধ্যে তীব্র বিতর্ক চলছে।
মন্তব্য করুন
