

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


মুসলমানরা যখনই বিপদে পড়েবে আল্লাহর কাছেই দোয়া করতে হবে। হযরত মুহাম্মদ রাসুলুল্লাহ (সা.)–ও যখনই কোনো কঠিন সমস্যায় পড়তেন, তখনই আল্লাহর কাছে দোয়া করতেন।
কুরআন ও হাদিসে বিপদ থেকে মুক্তির জন্য বেশ কিছু দোয়ার কথা উল্লেখ আছে। এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো আয়াতুল কুরসি। সূরা আল-বাকারার এই আয়াত পাঠ করলে মানুষ শয়তান ও অশুভ শক্তির হাত থেকে রক্ষা পায়। রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যে রাতে আয়াতুল কুরসি পাঠ করবে, সে সারা রাত আল্লাহর হেফাজতে থাকবে।
এ ছাড়া বিপদ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য সূরা আল-ফালাক এবং সূরা আন-নাস পাঠ করাও অত্যন্ত কার্যকর। এগুলোকে মুআউইযাতাইন বলা হয়, যা জাদু, হিংসা, কুমন্ত্রণা ও অশুভ শক্তি থেকে মুক্তির জন্য বিশেষ দোয়া। রাসূলুল্লাহ (সা.) বিভিন্ন সময় বিপদের মুহূর্তে এগুলো পাঠ করতেন।
তাছাড়া সূরা আল-বাকারার শেষ দু’আয়াত (২৮৫-২৮৬) পড়াও কঠিন সময় থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। হাদিসে এসেছে, রাতে এগুলো পাঠ করলে তা পাঠকারীর জন্য যথেষ্ট হয়ে যায় এবং আল্লাহর রহমত লাভ হয়।
সবচেয়ে পরিচিত দোয়াগুলোর মধ্যে একটি হলো নবী ইউনুস (আ.)-এর দোয়া: “লা ইলা-হা ইল্লা আনতা সুবহানাকা ইন্নি কুন্তু মিনাজ্জ্বালিমীন।” তিনি যখন মাছের পেটে বিপদে পড়েছিলেন, তখন এ দোয়া করেছিলেন এবং আল্লাহ তাকে মুক্তি দিয়েছিলেন। রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যে মুসলমান বিপদের সময়ে এ দোয়া করবে, আল্লাহ তার দুঃখ-কষ্ট দূর করবেন।
অতএব, কঠিন বিপদ থেকে মুক্তি পেতে মুসলমানরা আয়াতুল কুরসি, সূরা ফালাক, সূরা নাস, সূরা আল-বাকারার শেষ আয়াতসমূহ এবং নবী ইউনুস (আ.)-এর দোয়া নিয়মিত পাঠ করতে পারেন। এগুলো কেবল বিপদ থেকে মুক্তিরই নয়, বরং মানসিক প্রশান্তি ও আত্মিক শক্তি লাভেরও মাধ্যম।
মন্তব্য করুন
