

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


৭ বছরের দীর্ঘ কারাবাসের পর মসজিদুল হারামের সাবেক ইমাম শায়খ সালেহ আল-তালিবকে মুক্তি দিয়েছে সৌদি কর্তৃপক্ষ। তবে তিনি এখনও গৃহবন্দি আছেন এবং তার পায়ে ইলেকট্রনিক ট্র্যাকিং ডিভাইস লাগানো রয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছে মানবাধিকার সংস্থা প্রিজনার্স অব কনসায়েন্স, যারা সৌদিতে ধর্মীয় আলেমদের গ্রেপ্তার ও আটক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে থাকে।
২০১৮ সালে এক খুতবায় মিশ্র লিঙ্গের অনুষ্ঠানের সমালোচনা ও সৌদি নেতৃত্বের নীতির বিরোধিতা করার পর তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। সেই বক্তৃতায় তিনি অন্যায়ের বিরুদ্ধে আওয়াজ তোলার ইসলামী দায়িত্বের কথা তুলে ধরেন এবং বিশেষভাবে সৌদি জেনারেল এন্টারটেইনমেন্ট অথরিটির কার্যক্রমের বিরোধিতা করেন। পরে ২০২২ সালে রিয়াদের বিশেষ আপিল আদালত তাকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেন। যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে তার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ প্রকাশ করা হয়নি।
১৯৭৪ সালের ২৩ জানুয়ারি হুৎতাত বানী তায়মি পরিবারের জন্ম নেওয়া শায়খ সালেহ আল-তালিব আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত ছিলেন তার কোরআন তেলাওয়াত ও প্রভাবশালী বক্তৃতার জন্য। বিচারক হিসেবেও তিনি সৌদির বিভিন্ন অঞ্চলে দায়িত্ব পালন করেছেন। অনলাইনে তার লাখো অনুসারী রয়েছে।
তার মুক্তির খবরে মুসলিম বিশ্বের বহু মানুষ স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। তবে গৃহবন্দি অবস্থায় থাকা এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় সীমাবদ্ধতা আরোপের কারণে বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ রয়ে গেছে।
উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে সৌদিতে ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব, রাজপরিবারের সদস্য এবং সমালোচনামূলক মন্তব্যকারীদের গ্রেপ্তার বেড়েছে। এর ফলে দেশটির মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তীব্র সমালোচনা অব্যাহত রয়েছে।
সূত্র : দ্য ইসলামিক ইনফরমেশন, দ্য সিয়াসত ডেইলি
মন্তব্য করুন
