শনিবার
২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৯ ফাল্গুন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শনিবার
২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৯ ফাল্গুন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৪র্থ তারাবিতে পঠিত আয়াতসমূহের সারাংশ

এনপিবি ডেস্ক
প্রকাশ : ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৪:২৯ পিএম
ছবি সংগৃহীত
expand
ছবি সংগৃহীত

আজ শনিবার এশার নামাজের পর ৪র্থ রোজার তারাবীহ নামাজে পবিত্র কোরআন থেকে সর্বমোট দেড় পারা (পঞ্চম পারার শেষ অর্ধেকাংশ এবং ষষ্ঠ পারা সম্পুর্ন) তেলাওয়াত করা হবে।

এই দেড় পারা থেকে (সুরা নিসার ৮৮নং আয়াত থেকে সুরা মায়েদার ৮২নং আয়াত পর্যন্ত) সংক্ষেপে কিছু অংশ তুলে ধরা হলো:-

সূরা নিসা ৮৮–১৭৬ (শেষ পর্যন্ত) এর সারসংক্ষেপ

মুনাফিকদের ব্যাপারে সতর্কতা: যারা মুখে মুসলিম দাবি করে কিন্তু ভিতরে শত্রুতা লালন করে, তাদের বিষয়ে সরল বিশ্বাস না করতে বলা হয়েছে। সত্য ও মিথ্যার অবস্থান স্পষ্ট করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

জীবন ও রক্তের মর্যাদা: ভুলবশত হত্যার বিধান, কাফফারা ও ক্ষতিপূরণ সম্পর্কে বিস্তারিত আইন এসেছে। একজন মুমিনের জীবন অত্যন্ত সম্মানিত।

জিহাদ ও দায়িত্ববোধ: অক্ষম ও সক্ষম মানুষের পার্থক্য তুলে ধরে আল্লাহর পথে সংগ্রামের মর্যাদা বর্ণনা করা হয়েছে।

সালাত সংক্ষিপ্ত করার বিধান: ভ্রমণ বা ভয়াবহ পরিস্থিতিতে নামাজ সহজভাবে আদায়ের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

ন্যায়বিচার ও আমানতদারি: নিজের বা আত্মীয়ের বিরুদ্ধে হলেও সত্য সাক্ষ্য দিতে বলা হয়েছে। বিচার করতে হবে আল্লাহর নির্দেশ অনুযায়ী।

আহলে কিতাবের সমালোচনা: ইহুদি ও খ্রিস্টানদের কিছু বিকৃতি, অহংকার ও নবীদের অমান্য করার ইতিহাস উল্লেখ করা হয়েছে, এবং সত্য পথে ফিরে আসার আহ্বান দেওয়া হয়েছে।

শিরক ক্ষমাহীন অপরাধ: আল্লাহর সাথে শরিক করা সবচেয়ে বড় গুনাহ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।

উত্তরাধিকার আইন: সূরার শেষে সম্পদের বণ্টন ও পারিবারিক অধিকারের চূড়ান্ত বিধান দেওয়া হয়েছে।

সূরা মায়েদা ১–৮২ এর সারসংক্ষেপ

অঙ্গীকার পূরণ ও হালাল-হারাম: চুক্তি রক্ষা, বৈধ খাদ্য, শিকার ও ইহরামের বিধান আলোচনা করা হয়েছে।

অজু ও পবিত্রতা: নামাজের আগে অজু, গোসল ও প্রয়োজনে তায়াম্মুমের নিয়ম স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে।

ন্যায়বিচার ও শত্রুতার মাঝেও ইনসাফ: কারো প্রতি ঘৃণা যেন অন্যায় আচরণের কারণ না হয়—এই নৈতিক শিক্ষা দেওয়া হয়েছে।

বনি ইসরাঈলের শিক্ষা: তাদের অবাধ্যতা, প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ এবং নবীদের অমান্যের ঘটনা তুলে ধরে মুসলিমদের সতর্ক করা হয়েছে।

হাবিল ও কাবিলের ঘটনা: ত্যার ভয়াবহতা এবং মানবজীবনের মূল্য বোঝানো হয়েছে; একজন নিরপরাধ মানুষকে হত্যা করা পুরো মানবজাতিকে হত্যার সমান বলা হয়েছে।

অপরাধ ও শাস্তির আইন: চুরি, দস্যুতা ইত্যাদির শাস্তি উল্লেখ করে সমাজে নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আহলে কিতাবকে আহ্বান: তাদেরকে সত্য ধর্মে ফিরে আসতে বলা হয়েছে এবং অতিরঞ্জন না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

প্রকৃত মুমিনদের বন্ধু কারা: আল্লাহ, তাঁর রাসূল ও মুমিনদের সাথে সম্পর্ক দৃঢ় করার কথা বলা হয়েছে।

খ্রিস্টানদের মধ্যে নম্রদের প্রশংসা (৮২ আয়াত): যারা সত্য শুনে নম্র হয় এবং অহংকার করে না, তাদের হৃদয়ের কোমলতা উল্লেখ করা হয়েছে।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

X