

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


রোজা অবস্থায় হিজামা বা কাপিং থেরাপি সাধারণত জায়েজ, তবে কিছু শর্ত মেনে চলতে হবে।
১. রোজা ভাঙবে কি না?
হিজামা বা কাপিং দ্বারা রক্ত বের হলে রোজা ভেঙে যায় না।
রোজা ভাঙার মূল বিষয় হলো খাওয়া-পান করা বা কোনো কিছু শরীরে প্রবেশ করা। যেহেতু হিজামায় শরীরের বাইরে রক্ত বের হয়, তাই রোজা বৈধ থাকে।
আরও পড়ুনঃ ঈদের দিন রোজা রাখা কি হারাম?
২. সতর্কতা
যদি হিজামার সময় পানি, তেল বা অন্যান্য তরল মুখ বা নাকে প্রবেশ করে, তবে সতর্ক থাকতে হবে।
হিজামা করলে শরীর দুর্বল হতে পারে; রোজা অবস্থায় যদি অসুস্থ বোধ হয়, তবে পরে নেওয়াই ভালো।
৩. চিকিৎসকের পরামর্শ
রোজা অবস্থায় হিজামা নেওয়া স্বাস্থ্যগত দিক থেকে নিরাপদ কিনা তা চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে নেওয়া উত্তম।
আরও পড়ুনঃ শাওয়ালের রোজা কি একটানা রাখতে হয় নাকি বিরতি দিয়ে রাখা যায়?
বেশি রক্তপাত বা দুর্বলতার ঝুঁকি থাকলে রোজা ভেঙে নেওয়া যায়।
৪. ফজিলত ও সুন্নাহ
হিজামা সুন্নাহ প্রথা; রোজার সময় করলে ফজিলত বৃদ্ধি পেতে পারে।
হাদিসে এসেছে, হিজামা করলে রোগ নিরাময় হয় এবং রোজা সংযমের সঙ্গে স্বাস্থ্যও বজায় থাকে।
রোজা অবস্থায় হিজামা/কাপিং জায়েজ। রক্ত বের হওয়া রোজা ভাঙবে না।
আরও পড়ুনঃ ঈদের জামাত না পেলে একাকি নামাজ পড়া যাবে কি?
সতর্কতার সঙ্গে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে নেওয়া উচিত। রোজা দুর্বল হলে পরে নেওয়া উত্তম।
রোজা রাখার সময় হিজামা নেওয়া জায়েজ, তবে নিজের স্বাস্থ্য ও সতর্কতা মেনে নেওয়া জরুরি। খুব বেশি দুর্বল বা অসুস্থ হলে রোজা ভেঙে পরে হিজামা নেওয়া নিরাপদ।
মন্তব্য করুন

