

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ঋণ থেকে মুক্তি পেতে আপনি আল্লাহর কাছে দোয়া করতে পারেন এবং নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের শেখানো রাসূলের দোয়া পাঠ করতে পারেন-
"হে আল্লাহ! আপনি আমাকে আপনার হালাল দ্বারা পরিতুষ্ট করে আপনার হারাম থেকে ফিরিয়ে রাখুন এবং আপনার অনুগ্রহ দ্বারা আপনি ছাড়া অন্য সকলের থেকে আমাকে অমুখাপেক্ষী করে দিন"।
এছাড়াও, ঋণমুক্তির জন্য আন্তরিকভাবে চেষ্টা করা এবং আল্লাহর উপর ভরসা রাখা অপরিহার্য।
দোয়া ও আমল
রাসূল (সা.)-এর শেখানো দোয়া: নবিজী (সা.) ঋণ থেকে মুক্তি পেতে এই দোয়াটি পাঠ করতেন: 'আল্লা-হুম্মাকফিনী বিহালা-লিকা 'আন হারা-মিকা ওয়া আগনিনী বিফাদ্বলিকা 'আম্মান সিওয়া-ক'। এর অর্থ হলো: "হে আল্লাহ! হারামের পরিবর্তে তোমার হালাল রুজি আমার জন্য যথেষ্ট করো। আর তোমাকে ছাড়া আমাকে কারো মুখাপেক্ষী কোরো না এবং স্বীয় অনুগ্রহ দ্বারা আমাকে স্বচ্ছলতা দান করো"।
আল্লাহর কাছে প্রার্থনা: ঋণ থেকে মুক্তি এবং স্বচ্ছলতার জন্য সকাল-সন্ধ্যা আল্লাহর কাছে সাহায্য প্রার্থনা করা উচিত। অর্থনৈতিক প্রচেষ্টা: শুধু দোয়াই যথেষ্ট নয়, ঋণ পরিশোধের জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা করতে হবে। আল্লাহর উপর ভরসা: ঋণ পরিশোধের নিয়তে ঋণ নিলে আল্লাহ তা আদায়ের ব্যবস্থা করে দেন। তাই, ঋণ পরিশোধের উদ্দেশ্যে ঋণ গ্রহণ করুন এবং আল্লাহর উপর পূর্ণ ভরসা রাখুন।
গুরুত্বপূর্ণ বিষয়
ঋণ পরিশোধের গুরুত্ব: ইসলামে দ্রুত ঋণ পরিশোধের উপর জোর দেওয়া হয়েছে, কারণ ঋণ পরিশোধ না করে মারা গেলে ঋণ পরিশোধ না হওয়া পর্যন্ত জান্নাতে প্রবেশ করা যাবে না।
আর্থিক ব্যবস্থাপনা: ঋণের একটি তালিকা তৈরি করে সর্বোচ্চ সুদের হার থেকে সর্বনিম্ন সুদের হারে পরিশোধ করার কৌশল অবলম্বন করা যেতে পারে।
ঋণদাতার সাথে যোগাযোগ: আর্থিক সমস্যা দেখা দিলে অবিলম্বে ঋণদাতার সাথে যোগাযোগ করুন। তারা একটি নতুন পেমেন্ট পরিকল্পনায় সম্মত হতে পারে।
মন্তব্য করুন
