মঙ্গলবার
০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
মঙ্গলবার
০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আজ দেশে ফিরছেন লিবিয়ায় আটকে পড়া ১৭৪ বাংলাদেশি

এনপিবিনিউজ ডেস্ক
প্রকাশ : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:১৯ এএম
দেশের ফিরছেন লিবিয়ায় বন্দি ১৭৪ বাংলাদেশি। ছবি: সংগৃহীত
expand
দেশের ফিরছেন লিবিয়ায় বন্দি ১৭৪ বাংলাদেশি। ছবি: সংগৃহীত

লিবিয়ায় আটকে পড়া আরও ১৭৪ জন বাংলাদেশি মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) দেশে ফিরছেন।

সোমবার (৩১ আগস্ট) লিবিয়ার বাংলাদেশ দূতাবাস জানায়, লিবিয়ার বিভিন্ন ডিটেনশন সেন্টারে আটক বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপদ ও মানবিক প্রত্যাবাসনের লক্ষ্যে বাংলাদেশ দূতাবাস স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম)-এর সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

এরই ধারাবাহিকতায় ৩১ আগস্ট ত্রিপলীর তাজুরা ডিটেনশন সেন্টার থেকে ১৭৪ জন বাংলাদেশি নাগরিককে আইওএম-এর সহায়তায় দেশে প্রত্যাবাসন করা হয়েছে। প্রত্যবসিত অভিবাসীরা লিবিয়ার বুরাক এয়ারে আগামী ১ সেপ্টেম্বর আনুমানিক সকাল ৭:০০ ঘটিকায় ঢাকায় পৌঁছাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ দূতাবাসের একটি প্রতিনিধি দল ত্রিপলীর মেতিগা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উপস্থিত থেকে প্রত্যাবাসন কার্যক্রম তদারকি করেন এবং অভিবাসীদের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করেন।

প্রত্যবসিত অভিবাসীরা ভূমধ্যসাগরে উদ্ধার হওয়ার পর দীর্ঘদিন ধরে তাজুরা ডিটেনশন সেন্টারে আটক অবস্থায় ছিলেন।

এভাবে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অনিয়মিতভাবে সমুদ্রপথে বিদেশ গমনের চেষ্টা অনেক ক্ষেত্রে অভিবাসীদের মৃত্যু, নিখোঁজ, জিম্মি বা আটক হওয়ার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এর ফলে অনেক অভিবাসীকে দীর্ঘ সময় ডিটেনশন সেন্টারে মানবেতর পরিবেশে বন্দি জীবনযাপন করতে হয়।

এ প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ দূতাবাস সকলকে দালাল ও মানবপাচারকারীদের প্ররোচনায় বিভ্রান্ত না হয়ে অনিয়মিত পথে বিদেশ গমনের চেষ্টা থেকে বিরত থাকার জন্য আহ্বান জানাচ্ছে।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ দূতাবাস লিবিয়ার বিভিন্ন ডিটেনশন সেন্টারে আটক বাংলাদেশি নাগরিকদের শনাক্তকরণ, কনস্যুলার সহায়তা প্রদান এবং দেশে প্রত্যাবাসনের ব্যবস্থা গ্রহণে ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এ লক্ষ্যে দূতাবাস নিয়মিতভাবে লিবিয়ার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও আইওএম-এর সঙ্গে যোগাযোগ ও সমন্বয় বজায় রাখছে। একই সঙ্গে বেনগাজীর গানফুদা ও ত্রিপলীর তাজুরা ডিটেনশন সেন্টারে অবস্থানরত অন্যান্য বাংলাদেশি নাগরিকদের দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ অব্যাহত রয়েছে।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
X
City bank
City bank