

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


সৌদি আরবে বসবাসরত প্রবাসী কর্মীদের মেয়াদোত্তীর্ণ ওয়ার্ক পারমিট (কাজের অনুমতিপত্র) স্ট্যাটাস সংশোধনের আর মাত্র দুই দিন বাকি আছে।
দেশটির মানবসম্পদ ও সামাজিক উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ ‘কিওয়া’ প্ল্যাটফর্মের নিয়ম অনুযায়ী, মঙ্গলবার (৩০ জুন) নিয়োগকর্তাদের জন্য ওয়ার্ক পারমিট নবায়ন বা কর্মী স্থানান্তর করার শেষ দিন।
বুধবার (১ জুলাই) থেকে যেসব কর্মীর ওয়ার্ক পারমিটের মেয়াদ তিন মাসের বেশি সময় ধরে উত্তীর্ণ রয়েছে, প্ল্যাটফর্মটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিয়োগকর্তার রেকর্ড থেকে তাদের নাম মুছে ফেলার প্রক্রিয়া শুরু করবে।
‘কিওয়া’ প্ল্যাটফর্ম জানিয়েছে, কোনো কর্মীর ওয়ার্ক পারমিটের মেয়াদ তিন মাসের বেশি পার হয়ে গেলে তাকে প্রতিষ্ঠানের রেকর্ড থেকে বাদ দেওয়া হবে।
তবে বৈধ ওয়ার্ক পারমিট ছাড়া কর্মী যতদিন কর্মরত ছিলেন, সেই সময়কাল থেকে শুরু করে নাম মুছে ফেলার তারিখ পর্যন্ত সমস্ত বকেয়া আর্থিক জরিমানা বা ফি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকেই পরিশোধ করতে হবে। আইনি জটিলতা ও আর্থিক দায় এড়াতে প্ল্যাটফর্মটি নিয়োগকর্তাদের দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার আহ্বান জানিয়েছে।
প্ল্যাটফর্মটি একটি ব্যতিক্রমী নিয়মের কথাও স্পষ্ট করেছে। যদি কোনো কর্মীর ওয়ার্ক পারমিটের মেয়াদ শেষ হওয়ার তারিখ এবং রেসিডেন্সি পারমিটের (আবাসিক অনুমতি) মেয়াদ শেষ হওয়ার তারিখ আলাদা হয়, তবে রেসিডেন্সি পারমিটটি কমপক্ষে ১৮০ দিনের জন্য বৈধ থাকলে তাকে প্রতিষ্ঠানের রেকর্ড থেকে মুছে ফেলা হবে না, এমনকি প্রতিষ্ঠানটি ওয়ার্ক পারমিট নবায়ন করতে অক্ষম হলেও।
তবে, রেসিডেন্সি পারমিটের অবশিষ্ট মেয়াদ যদি ১৮০ দিনের কম থাকে, তাহলে যেকোনো ধরনের আইনি জটিলতা এড়াতে নিয়োগকর্তাকে অবশ্যই রেসিডেন্সি পারমিট এবং ওয়ার্ক পারমিট উভয়ই দ্রুত নবায়ন করতে হবে।
কিওয়া কর্তৃপক্ষ আবারও জোর দিয়ে বলেছে, আইনি পদক্ষেপ এবং বড় অঙ্কের আর্থিক জরিমানা এড়াতে নিয়োগকর্তাদের উচিত অবিলম্বে বকেয়া ওয়ার্ক পারমিট ফি পরিশোধ করা। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত কর্মচারীদের ওয়ার্ক পারমিট নবায়ন বা চাকরি স্থানান্তরের মাধ্যমে তাদের বর্তমান অবস্থা দ্রুত বৈধ বা নিয়মিত করার তাগিদ দেওয়া হয়েছে।
