

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ইতালির পালেরমো শহরে এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে ৩৮ বছর বয়সী বাংলাদেশি প্রবাসী আলাউদ্দিনকে ১৪ বছরের কারাদণ্ড ও ১ লাখ ইউরো জরিমানা করেছে আদালত। তবে রায় ঘোষণার আগেই তিনি পালিয়ে গেছেন বলে স্থানীয় সূত্র ও গণমাধ্যমের খবরে জানা গেছে। ইতালির পুলিশ তাকে ধরতে এরই মধ্যে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ করেছে।
মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ৭ জুন পালেরমোর ভিয়া রিফেরদিকো ১০৪ নম্বর এলাকার একটি দোকানে মরক্কান বংশোদ্ভূত, ইতালিতে জন্মগ্রহণকারী ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরীর সঙ্গে ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর ভুক্তভোগী বিষয়টি পরিবারের সদস্যদের জানালে তারা পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন।
এরপর ইতালির পুলিশ তদন্ত শুরু করে। দীর্ঘ তদন্ত শেষে ২০২৬ সালের ১২ জানুয়ারি আদালত আলাউদ্দিনকে দোষী সাব্যস্ত করে ১৪ বছরের কারাদণ্ড ও ১ লাখ ইউরো জরিমানার রায় ঘোষণা করে। তবে অভিযোগ রয়েছে, রায় ঘোষণার আগেই তিনি নিখোঁজ হন।
অভিযুক্তের দোকানের সাবেক কর্মচারী সুমন মিয়া এবং ব্যাংক বরাতে জানা যায়, বিচার চলাকালীন সময়ে আলাউদ্দিন বিভিন্ন ব্যক্তি ও একটি ব্যাংক থেকে প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার ইউরো সংগ্রহ করে তার বড় ভাইয়ের সহায়তায় ২০২৬ সালের ১১ জানুয়ারি বাংলাদেশে পালিয়ে যান।
এদিকে, এ ঘটনার তথ্য প্রকাশের পর আলাউদ্দিনের দোকানের সাবেক কর্মচারী সুমন মিয়া অভিযোগ করেন, বাংলাদেশে তার পরিবারের ওপর চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে।
তার দাবি, তার পরিবারের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা ও হয়রানি করা হচ্ছে এবং তার বাবাকে দুই দিন আটক রাখা হয়েছিল।
ঘটনাটি ইতালিতে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটিতে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। অনেকেই বলেন, এ ধরনের অপরাধ দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছে এবং দ্রুত অভিযুক্তকে আইনের আওতায় এনে শাস্তি কার্যকর করার আহ্বান জানান তারা।
তবে এ বিষয়ে ইতালির আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অনুসন্ধান অব্যাহত রয়েছে বলে জানা গেছে।
মন্তব্য করুন