

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


পবিত্র রজনী লাইলাতুল কদরের রাতে মক্কার পবিত্র মসজিদুল হারামে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আসা ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের উপস্থিতি ছিল অবাক করার মতো দৃশ্য। মহান আল্লাহর নৈকট্য লাভের আশায় রোববার (১৫ মার্চ) দিনগত রাতে পবিত্র কাবা প্রাঙ্গণ এক বিশাল জনসমুদ্রে পরিণত হয়। মুসল্লিরা ইবাদত-বন্দেগির মাধ্যমে রাত অতিবাহিত করেন।
রোববার ইফতারের পরপরই পুরো হারাম শরিফ এলাকা কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়। প্রচণ্ড গরম উপেক্ষা করে জিকির-আজকার, নফল নামাজ ও কোরআন তিলাওয়াতে মশগুল থাকেন মুসল্লিরা। ওমরাহ পালনকারী ও স্থানীয় মুসল্লিরা একত্রে এশা ও তারাবিহর নামাজ আদায় করেন।
সৌদি আরবের মক্কার পবিত্র মসজিদুল হারামের ইমাম ও খতিব শেখ আবদুল রহমান আল সুদাইস জানান, ওমরাহ যাত্রী ও দর্শনার্থীদের সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিত করতে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। মুসল্লিদের সুরক্ষা এবং নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করতে হারাম শরিফ এলাকায় বিপুলসংখ্যক অতিরিক্ত নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। বিশাল এই জনসমুদ্র সামলাতে আধুনিক প্রযুক্তি ও স্বেচ্ছাসেবী দলও নিরলসভাবে কাজ করছে।
এ ছাড়া পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে হারামাইন শরিফ এলাকায় কয়েক হাজার নিরাপত্তাকর্মী দায়িত্ব পালন করছেন। ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের কাছে লাইলাতুল কদর অত্যন্ত বরকতময় ও মহিমান্বিত একটি রাত। পবিত্র আল কোরআন এই রাতেই মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর ওপর নাজিল হয়েছিল।
মাহে রমজানের শেষ দশ দিনের বিজোড় রাতগুলোতে মুমিন মুসলমানরা পরম আকুলতায় এই হাজার মাসের চেয়েও শ্রেষ্ঠ রাতটি তালাশ করেন। বিশেষ করে রমজানের শেষের দিনগুলোতে মুসল্লি ও ওমরাহ যাত্রীদের উপস্থিতি দেখার মতো দৃশ্যে পরিণত হয় পবিত্র মসজিদুল হারাম।
মন্তব্য করুন