সোমবার
১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৪ ফাল্গুন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সোমবার
১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৪ ফাল্গুন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাবার পরাজয় দেখলেন শিবির সেক্রেটারি সিবগাতুল্লাহ

এনপিবি ডেস্ক
প্রকাশ : ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৮:৪৬ পিএম
সিবগাতুল্লাহ সিগবা। ফাইল ছবি
expand
সিবগাতুল্লাহ সিগবা। ফাইল ছবি

ঠাকুরগাঁও-২ (বালিয়াডাঙ্গী-হরিপুর) আসনে বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীদের মধ্যে হাড্ডাহাডি লড়াই হয়। এতে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ছিলেন আবদুল হাকিম। তিনি ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি জেরারেল সিবগাতুল্লাহ সিগবার বাবা। যদিও এই আসন নিয়ে জামায়াত আপত্তি জানিয়েছে। তাদের দাবি এই আসনে ইচ্ছেন করে ভোটের ফল পাল্টে দিয়েছেন প্রশাসন।

এ আসনে বিএনপির প্রার্থী ছিলেন ডা. আব্দুস সালাম। তার কাছে হেরে যান আবদুল হাকিম। বাবার জন্য কাজ করেও ভোটের মাঠে প্রত্যাশিত প্রভাব ফেলতে পারেননি সিগবা।

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি ) অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ডা. আব্দুস সালাম পেয়েছেন ১ লাখ ২১ হাজার ১৭ ভোট । নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত ইসলামীর প্রার্থী আব্দুল হাকিম পেয়েছেন ১ লাখ ১৫ হাজার ৭০৭ ভোট। ভোটের ব্যবধান মাত্র ৫ হাজারের কিছু বেশি।

জামায়াত প্রার্থীর ছেলে ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি হওয়ায় স্থানীয়দের ধারণা ছিল তরুণ ভোটারদের মধ্যে বাড়তি প্রভাব ফেলবে। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, পারিবারিক পরিচয় ও সাংগঠনিক পদ থাকলেও তা সরাসরি ভোটে রূপান্তর করা কঠিন। মাঠ পর্যায়ে সংগঠনের প্রভাব তুলনামূলক কম। স্থানীয় অনেকের মতে, সংগঠনের বড় পদ থাকলেই ভোট নিশ্চিত হয় না, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে সক্রিয়কর্মী থাকা গুরুত্বপূর্ণ।

সিবগাতুল্লাহ সিগবা তার বাবার এক নির্বাচনি জনসভায় বলেছিলেন, আমার বাবার জন্য কি আপনাদের কাছে ভোট চাইতে হবে? আমি জানি, চাইতে হবে না। তিনি তার বাবার জয়ের ব্যাপারে খুব আশাবাদি ছিলেন। কিন্তু সেই বাবার পরাজয় তাকে দেখতে হল।

কেন্দ্রগুলোতে বিএনপির শক্ত অবস্থানের বিপরীতে জামায়াতের অবস্থান ছিল দুর্বল। শিবিরের চেয়ে উপজেলা ছাত্রদল মাঠে সক্রিয় কাজ করার কারণে কেন্দ্রীয় নেতা হওয়ার পরও সেরকম প্রভাব ফেলতে পারেননি সিবগাতুল্লাহ।

অনেকেই আবার বলেছেন, স্থানীয় জামায়াত নেতাদের সঙ্গে মাঠ পর্যায়ের শিবির নেতাকর্মীদের সমন্বয়হীনতার কারণে এমন ফলাফল হয়েছে।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

X