

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


সরকারি খরচে বা অন্যের আর্থিক সহায়তায় হজ পালন করলে সেই হজ আদায় হবে কি না—এ নিয়ে অনেকের মধ্যে প্রশ্ন ও বিভ্রান্তি রয়েছে। ইসলামি শরিয়তের আলোকে এ বিষয়ে আলেমদের মতামত কী, তা জানা জরুরি।
ইসলামি বিধান অনুযায়ী, হজ ফরজ হয় এমন ব্যক্তির ওপর, যার শারীরিক ও আর্থিক সামর্থ্য রয়েছে। তবে হজ আদায়ের ক্ষেত্রে খরচ অবশ্যই নিজের উপার্জিত অর্থ থেকেই হতে হবে—এমন কোনো বাধ্যবাধকতা নেই।
ধর্মীয় বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, সরকার বা অন্য কেউ যদি হজের খরচ বহন করে, তাহলে তা ‘সহযোগিতা’ বা ‘হাদিয়া’ হিসেবে গণ্য হবে। এ অবস্থায় সেই অর্থ ব্যবহার করে হজে গেলে ফরজ হজ আদায় হয়ে যাবে এবং সওয়াবও পাওয়া যাবে।
এমনকি কোনো ব্যক্তি অন্যের সহায়তায় হজে গেলে পরবর্তীতে নিজে সামর্থ্যবান হলেও আবার হজ করা তার ওপর ফরজ হয় না—কারণ তার ফরজ হজ ইতোমধ্যে আদায় হয়ে গেছে।
তবে হজ কবুল হওয়ার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত রয়েছে—হালাল উপার্জন। যদি হজের খরচ হারাম উৎস থেকে আসে, তাহলে সেই হজ আদায় বৈধ হবে না এবং কবুল হওয়ার সম্ভাবনাও থাকে না বলে হাদিসে উল্লেখ রয়েছে।
অন্যদিকে, কিছু ইসলামি বক্তা সরকারি টাকায় হজ করার নৈতিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাদের মতে, জনগণের অর্থ ব্যবহার করে হজে যাওয়া বিতর্কিত এবং তা নিরুৎসাহিত করা উচিত।
মন্তব্য করুন
