

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


বাণিজ্য, বস্ত্র ও পাট এবং শিল্প মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে দি ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশের (আইসিএবি) প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃ্হস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রীর মিনি কনফারেন্স রুমে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। সাক্ষাতে দেশের নিরীক্ষা খাতের সার্বিক অবস্থা ও সংশ্লিষ্ট বিষয়ে আলোচনা হয়।
বাণিজ্য মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির আইসিএবি’র আলোচনার বিষয়গুলো গুরুত্বসহকারে শুনেন এবং বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের আশ্বাস দেন। তিনি বলেন, 'জাতীয় সম্পদ সুরক্ষার ক্ষেত্রে নিরীক্ষা খাত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নিরীক্ষার মান বজায় রাখতে সরকার আন্তরিক ও সচেতনতা নিয়ে কাজ করবে।'
আলাপকালে আইসিএবি'র প্রতিনিধিবৃন্দ বিগত সময়ে সিএমএ-কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্টদের নিরীক্ষা করার অধিকার দেওয়ার প্রসংগে উদ্বেগ জানিয়ে বলেন, ' দেশের নিরীক্ষা কার্যক্রম আইসিএবি’র মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে দির্ঘদিন ধরে। নিরীক্ষাতে আইনি কাঠামো ও আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ছাড়া নিরীক্ষা করার অধিকার বাড়ালে এ খাতের আস্থা হারাতে পারে।'
উল্লেখ্য, গত বছর ২০২৫ সালের অর্থ আইনে সিএমএ’র নিরীক্ষা করার অধিকার দেওয়ার প্রস্তাব তুললেও, ICAB-এর আপত্তিতে তা চূড়ান্ত আইন হয়নি। কিন্তু একই ধরনের প্রস্তাব ২০২৬ সালের সংশ্লিষ্ট আইনে পুনরায় বিবেচনায় আসতে পারে বলে সে প্রশ্নে সরকার যেন সচেতন থাকে তার অনুরোধ জানায় আইসিএবি।
আইসিএবি'র প্রতিনিধিবৃন্দের মধ্যে ভাইস প্রেসিডেন্ট সুরাইয়া জান্নাত খান,ভাইস প্রেসিডেন্ট মোঃ রোকনুজ্জামান, ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মেহাদি হাসান, ভাইস প্রেসিডেন্ট মো: মনিরুজ্জামান, প্রধান নির্বাহী শুভাশিস বসু উপস্থিত ছিলেন।
প্রসঙ্গত, আলাপকালে বাণিজ্য, বস্ত্র ও পাট এবং শিল্প মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির কাছে আইসিএবি'র প্রতিনিধিবৃন্দ বিভিন্ন দাবীর একটি চিঠি দেন। চিঠির বিবরণীতে উল্লেখযোগ্য দিক হলো, ইনস্টিটিউট অব কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশ (ICMAB)-তাদের বিধিগতভাবে নিরীক্ষা করার অধিকার নেই। ২০১৮ সালের সংশ্লিষ্ট আইনে তাদের এই সীমাবদ্ধতা বহাল আছে। এছাড়া, চিঠিতে আইসিএবি'র আর্থিক বরাদ্দ বৃদ্ধির বিষয়কেও আলোকপাত করেছে।
মন্তব্য করুন
