শুক্রবার
২০ মার্চ ২০২৬, ৬ চৈত্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শুক্রবার
২০ মার্চ ২০২৬, ৬ চৈত্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইসির মুলা ও বেগুনের সমালোচনায় সারজিস আলম

এনপিবি ডেস্ক
প্রকাশ : ০৬ অক্টোবর ২০২৫, ০৯:২৮ এএম
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর উত্তরাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম
expand
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর উত্তরাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর উত্তরাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম নির্বাচন কমিশনের প্রতীক তালিকায় মুলা ও বেগুনের মতো প্রতীক রাখাকে ‘অরুচিকর’ ও ‘অযৌক্তিক’ বলে মন্তব্য করেছেন।

শনিবার (৫ অক্টোবর) বিকেলে পঞ্চগড়ের শের-ই-বাংলা পার্কে স্থানীয় মসজিদ কমিটির সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, “যে প্রতীকগুলো জনগণের হাসির কারণ হতে পারে, সেগুলো নির্বাচনী প্রতীক হিসেবে রাখা কতটা যুক্তিসঙ্গত, তা নির্বাচন কমিশনের বিবেচনায় আনা উচিত। প্রতীকের ঘাটতি তো দেশে নেই, তাহলে এমন প্রতীকই বা কেন?”

সারজিস আলম আরও জানান, আইনগত কোনো বাধা না থাকায় তাদের দল ‘শাপলা’ প্রতীকেই নির্বাচনে অংশ নেবে। তিনি বলেন, “সাদা বা লাল—যে রঙের শাপলাই হোক, এমনকি এর সঙ্গে অন্য কোনো চিহ্ন যুক্ত হলেও আমাদের আপত্তি নেই।”

এ সময় তিনি অভিযোগ করেন, নির্বাচন কমিশন বর্তমানে স্বেচ্ছাচারী আচরণ করছে এবং প্রভাবিত সিদ্ধান্ত নিচ্ছে। “আমরা রাজনৈতিকভাবেই এর জবাব দেব,” যোগ করেন তিনি।

অন্যদিকে ভারতের মহানন্দা নদীর উজানে হঠাৎ নয়টি স্লুইসগেট খোলা হওয়ায় বাংলাবান্ধা অঞ্চলের একটি গ্রাম নদীভাঙনের ঝুঁকিতে পড়েছে বলে দাবি করেন এনসিপি নেতা।

তিনি বলেন, “প্রতিবেশী হিসেবে ভারতের উচিত আচরণেও সহযোগিতামূলক মনোভাব দেখানো। ইচ্ছেমতো গেট খোলা বা বন্ধ করা বন্ধ করতে হবে। নচেৎ দুই দেশের সম্পর্কে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।”

তিনি আরও সতর্ক করে বলেন, “সব সময় এক পক্ষের সুবিধা চলবে না; বাংলাদেশও প্রতিবেশীর মতো সম্মান প্রত্যাশা করে।”

বাংলাবান্ধায় নদী রক্ষায় বাঁধ নির্মাণে বিএসএফের বাধা ও গুলির ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে সারজিস আলম বলেন, “বাংলাদেশের ভূখণ্ডে কাজ করতে গেলে বিএসএফের বাধা বা গুলি কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। প্রয়োজনে উপযুক্ত জবাব দেওয়া হবে।”

তিনি জানান, ইতোমধ্যে বিষয়টি নিয়ে তিনি সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করেছেন এবং দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস পেয়েছেন।

এ সময় তিনি আরও বলেন, এনসিপির উদ্যোগে জেলার পাঁচটি উপজেলায় ১২০টি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নকাজের জন্য প্রায় তিন কোটি টাকার বেশি বরাদ্দ নিশ্চিত করা হয়েছে।

অনুষ্ঠান শেষে গণআন্দোলনে নিহত ও আহতদের স্মরণে দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন