

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের জানিয়েছেন, “জুলাই সনদ নিয়ে গণভোট জাতীয় নির্বাচনের আগে, অর্থাৎ নভেম্বরের মধ্যেই শেষ করা উচিত।”
বুধবার (৮ অক্টোবর) রাজধানীতে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের আয়োজিত সংলাপ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।
তাহের বলেন, “গণভোট ও জাতীয় নির্বাচন একসঙ্গে আয়োজন করলে নানা জটিলতা তৈরি হতে পারে। দুই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ ভিন্ন বিষয়।”
তিনি আরও বলেন, “আমরা সবাই এখন একমত যে জুলাই সনদ জনগণের রায়েই গৃহীত হবে। গণভোট হচ্ছে সেই প্রক্রিয়া। জাতীয় নির্বাচন এবং গণভোট একদিনে হলে জনগণের সিদ্ধান্ত স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত নাও হতে পারে।”
জামায়াত নেতা আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, “দুটি ভোট একসঙ্গে আয়োজনের ইতিবাচক দিক থাকলেও, অনিশ্চয়তার ঝুঁকি অনেক বেশি। এতে মূল নির্বাচনের ফলাফল নিয়েও প্রশ্ন উঠতে পারে।”
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাম্প্রতিক ছাত্র সংসদ নির্বাচনের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, “এই দুই নির্বাচনের ফল ঘোষণা নিয়ে যেমন উদ্বেগ ছিল, তেমন পরিস্থিতি যেন জাতীয় পর্যায়ে না হয়।”
নির্বাচন কমিশনের আর্থিক সক্ষমতা প্রসঙ্গে সৈয়দ তাহের বলেন, “একটি গণভোট আয়োজন অতিরিক্ত ব্যয় নয়, বরং এটি জাতিকে স্থিতিশীলতার দিকে নিয়ে যাবে।”
বিএনপির ভিন্ন অবস্থান প্রসঙ্গে তিনি মন্তব্য করেন, “মূলত একটি দলই— বিএনপি— আংশিক আপত্তি জানিয়েছে। তারা সংস্কারের কথা বলছে, আবার আনুষ্ঠানিকভাবে ভিন্নমতও দিচ্ছে। জাতির সামনে বিষয়টি স্পষ্ট করা প্রয়োজন।”
তিনি আরও বলেন, “নোট অব ডিসেন্ট কোনো সিদ্ধান্ত নয়, এটি কেবল ব্যক্তিগত মতের রেকর্ড। আদালতের মতোই সংখ্যাগরিষ্ঠ মতই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হিসেবে গণ্য হবে।”
শেষে তাহের স্পষ্টভাবে জানান, “জামায়াতে ইসলামী মনে করে— ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচন হবে, তার আগে নভেম্বরের মধ্যেই জুলাই সনদ নিয়ে গণভোট অনুষ্ঠিত হওয়া উচিত। এটি জাতিকে স্থিতিশীলতার পথে এগিয়ে নেবে।”
মন্তব্য করুন
