

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা–কর্ণফুলী) আসনে আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের প্রচার শুরু হতেই অপ্রত্যাশিত এক ঘটনাকে ঘিরে আলোচনা শুরু হয়েছে।
জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী অধ্যাপক মাহমুদুল হাসান চৌধুরীর গণসংযোগ কর্মসূচিতে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতার উপস্থিতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে।
ঘটনাটি ঘটে শুক্রবার (৩ অক্টোবর) বিকেলে কর্ণফুলী উপজেলার বড়উঠান ইউনিয়নের দৌলতপুর কাজী বাড়ি এলাকায়।
সেখানে জামায়াত প্রার্থীর এক গণসংযোগে উপস্থিত ছিলেন বড়উঠান ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ২নং ওয়ার্ড সভাপতি সায়েদ আল মাহমুদ। পরে তাঁর সেই উপস্থিতির ছবি অনলাইনে ছড়িয়ে পড়লে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয় নানা আলোচনা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সায়েদ আল মাহমুদ আওয়ামী লীগের সক্রিয় নেতা এবং সাম্প্রতিক কোটা সংস্কারবিরোধী আন্দোলনের সময় তাঁর একটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পোস্ট নিয়ে বিতর্ক হয়েছিল। ওই পোস্টে তিনি লিখেছিলেন, “আর করিস না জুলাই জুলাই, এবার হবে গণধোলাই।”
এক জামায়াত কর্মী বলেন, “যিনি প্রকাশ্যে জুলাই আন্দোলনের বিরোধিতা করেছেন, তাঁর এমন উপস্থিতি আমাদের জন্য অস্বস্তিকর।”
বিষয়টি নিয়ে কর্ণফুলী উপজেলা জামায়াতের আমীর মাস্টার মো. মনির আবছার চৌধুরী বলেন, “জুমার নামাজের পর আমাদের গণসংযোগে অনেক মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে যোগ দেন। কে কোন দলের, তা তখন বোঝা যায়নি। ছবিতে দেখে আমরাও অবাক হয়েছি।”
অন্যদিকে, আওয়ামী লীগ নেতা সায়েদ আল মাহমুদ ঘটনার ব্যাখ্যায় বলেন, “অধ্যাপক মাহমুদুল হাসান এলাকায় এসেছিলেন, সৌজন্যবশত দেখা করেছি। কিছুক্ষণ ছিলাম, পরে চলে যাই। ঘটনাটি অপ্রয়োজনীয়ভাবে বড় করে দেখা হচ্ছে।”
স্থানীয় রাজনৈতিক মহল বলছে, নির্বাচনের আগে এই ঘটনাটি আনোয়ারা–কর্ণফুলী এলাকায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে।
মন্তব্য করুন
