

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, অযোগ্য লোকদের হাতে ক্ষমতা যাওয়ার কারণে আমরা স্বাধীনতার সুফল ভোগ করতে পারিনি।
তিনি বলেন, স্বাধীনতার ৫৪ বছর পরও আমরা দুর্নীতিগ্রস্ত নেতৃত্বের কবল থেকে বেরিয়ে আসতে পারিনি। দুর্নীতি শুধু টাকা-পয়সার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। মানুষের অধিকার কেড়ে নেয়াও দুর্নীতি।
মহান স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের উদ্যোগে বুধবার (২৫ মার্চ) বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এসময় আমীরে জামায়াত বলেন, সর্বপ্রথম পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেছেন কর্নেল অলি আহমেদ বীর বিক্রম তারপরবর্তীতে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান।
তিনি বলেন, স্বাধীনতা একটি জাতির কত বড় সম্পদ এটি স্বাধীন জাতি বুঝে না পরাধীন জাতি বুঝে। তৎকালীন নেতৃবৃন্দের দূরদর্শীতায় আমরা একটি স্বাধীন দেশ পেয়েছি। স্বাধীনতার আগে একটি সাধারণ নির্বাচন হয়েছে। ঐ নির্বাচনও সংবিধান মেনে হয়নি। কারণ সামরিক ল জারি হলে সংবিধান স্থগিত থাকে। ঐ সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল পাকিস্তানি শাসক গোষ্ঠী মেনে নিতে পারেনি। যার ফলে তৎকালীণ পূর্ব পাকিস্তানের জনগণ মুক্তির সংগ্রামে স্বাধীনতা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েন। দীর্ঘ নয় মাসের যুদ্ধে আমরা একটি স্বাধীন ভূখন্ড, একটি মানচিত্র ও লাল-সবুজের পতাকা পেয়েছি।
জুলাই সনদ প্রসঙ্গে আমীরে জামায়াত বলেন, সরকার কখনো বলছে জনগণের রায় অক্ষরে-অক্ষরে পালন করবে আবার কখনো বলে জনগণ না বুঝে গণভোটে রায় দিয়েছে। প্রায় ৭০ শতাংশ জনগণ হ্যাঁ ভোট দিলেও সরকার গণভোটের রায় বাস্তবায়নে অনীহা প্রকাশ করছে।
তিনি বলেন, জুলাই সনদে যেভাবে স্বাক্ষর করা হয়েছে সেইভাবে বাস্তবায়ন না হলে রাজপথে সমাধান হবে। যারা ৭২ এর সংবিধানের জন্য মায়াকান্না করে তাদের জানার কথা শেখ মুজিবুর রহমান সংবিধান সংশোধন করেছে, জিয়াউর রহমান সংবিধান সংশোধন করেছে, বেগম খালেদা জিয়াও সংবিধান সংশোধন করেছেন এবং বেগম জিয়া বলেছিলেন, যেদিন জনগণের সরকার কায়েম হবে সেদিন নতুন করে সংবিধান লেখা হবে।
উদারতা দেখিয়ে আমাদেরকে ডেপুটি স্পিকার দেওয়ার দরকার নাই উল্লেখ করে তিনি বলেন, উদারতা দেখিয়ে জাতীয় সমস্যা সমাধনে এক জায়গায় বসুন। এটা সংসদের ভেতরে হবে না। কারণ সংসদের ভেতরে সব দল প্রবেশ করেনি। এদেশে যারা অন্যান্য দল আছে তাদেরও অবদান আছে দেশের জন্য। মুক্তিযুদ্ধে এবং চব্বিশের বিপ্লবেও তাদের অবদান আছে। তাদের সবাইকে নিয়ে বসে কথা শুনুন, পরামর্শ গুলো শুনুন। ডিসিশন তো আপনারাই নেবেন। তাই কে কি বলতে চায় কথা গুলো শুনলে জাতি উপকৃত হবে আপনারাও উপকৃত হবেন।
মন্তব্য করুন
