

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের এক নেতাকে থানা থেকে ছাড়িয়ে নিতে জামায়াতের একজন নেতা চেষ্টা করছেন ফেসবুক লাইভে এসে—এমন অভিযোগ তোলার পর তাঁকে বহিষ্কার করা হয়।
গত বুধবার রাতে বহিষ্কারের ঘটনাটি ঘটলেও গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে বিষয়টি জানাজানি হয়েছে। পরে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে এক কর্মীকে দল থেকে বহিষ্কার করেছে জামায়াতে ইসলামী।
দল থেকে বহিষ্কার করা ওই ব্যক্তির নাম মো. রুবেল আনসারী। তিনি সীতাকুণ্ড পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের কর্মী ছিলেন। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে রুবেল আনসারীকে বহিষ্কারের বিষয়টি জানিয়েছে দলের উপজেলা শাখা।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, গত রোববার উপজেলার বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নেতা ও ইউপি সদস্য মোহাম্মদ সেলিমকে থানায় সোপর্দ করেন পৌর জামায়াতের নেতা-কর্মীরা।
তখন উপজেলা জামায়াতের রুকন মো. জাহাঙ্গীরও থানায় যান। এ সময় রুবেল আনসারী ফেসবুকে লাইভে আসেন। এ সময় তিনি দাবি করেন, আওয়ামী লীগের ওই নেতাকে ছাড়াতে মো. জাহাঙ্গীর থানায় এসেছেন।
পুলিশ জানায়, মোহাম্মদ সেলিম ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সদস্য এবং ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তাঁকে বিএনপি নেতা-কর্মীদের ওপর হামলার একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। মামলাটি গত বছর ৫ আগস্টের পর হয়েছে। বর্তমানে সেলিম কারাগারে রয়েছেন।
বহিষ্কার হওয়া জামায়াত কর্মী রুবেল আনসারীর অভিযোগ, সত্যি কথা বলায় তাঁকে বহিষ্কার করা হয়েছে। জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমি নিজেই আওয়ামী লীগ নেতাকে ধরে থানায় নিয়েছি।
এ সময় আমার সঙ্গে দলের অন্তত ১০ জন কর্মী ছিলেন। কিছুক্ষণের মধ্যে মো. জাহাঙ্গীর আওয়ামী লীগ নেতাকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য সুপারিশ করেন। দলের দায়িত্বশীলেরা কোনো রকম তদন্ত না করে এ ঘটনায় আমাকে বহিষ্কার করেছে।’
অভিযোগের বিষয়ে জামায়াতের রুকন মো. জাহাঙ্গীরের বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি। তবে রুবেলের অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে উপজেলা জামায়াতের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রুবেল আনসারী ফেসবুক লাইভে ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বক্তব্য দিয়েছেন। আওয়ামী লীগ নেতাকে ছাড়িয়ে আনার চেষ্টা ভিত্তিহীন। এর ফলে সংগঠনের মর্যাদা ক্ষুণ্ন হয়েছে।
মন্তব্য করুন
