

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের যুগ্ম সম্পাদক চৌধুরী নায়াব ইউসুফ বলেছেন, এ কে আজাদ যে আওয়ামী লীগ করে আসছেন তা সবার কাছে পরিষ্কার এবং সেটা নতুন করে প্রমাণের কোনো প্রয়োজন নেই। যা সারাদেশের মানুষ জানেন।
নায়াব জানান, ২০২৪ সালের অপ্রকাশিত নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন না পেলে এ কে আজাদ স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেন।
তখনও তার পক্ষে আওয়ামীর কোনো একটি গ্রুপ ছিল এবং এখনো তিনি আওয়ামী লীগের ক্যাডার-নেতৃত্ব ও সন্ত্রাসী বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে প্রচারণা চালাচ্ছেন — যা গোপন কিছু নয়।
তিনি আরও বলেন, ‘এ কে আজাদ বলেছেন যে তিনি আওয়ামী লীগ করেননি’ — এমন বক্তব্য এ বিষয়ে তার দেওয়া একটি পুরোনো প্রেস কনফারেন্সে রেকর্ড আছে এবং সামাজিক মাধ্যমে তা এখনও ঘুরছে।
নায়াব বলেন, ২০ অক্টোবর যে সংবাদ সম্মেলন করেছেন এবং সেখানে যাদের সামনে দাঁড়িয়েছেন, তাদের মধ্যে ছিলেন বাখুন্ডার যুবলীগের পরিচিত এক নেতা রিয়াদ — যাকে তিনি ‘দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী’ উল্লেখ করেছেন।
নায়াবের কথায়, ওই ঘটনার সময় যে ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন তারা সকলেই আওয়ামী লীগের এবং সহযোগী সংগঠনের ক্যাডার; যারা গত জুলাই গণআন্দোলনের সময় সাধারণ ছাত্র-জনতার ওপর হামলা চালিয়েছিল।
মহিলা দলের যুগ্ম সম্পাদক বলেন, এ কে আজাদ যে অভিযোগ তুলেছেন — বিএনপি বা তার নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে — সেগুলো তিনি ‘ভিতিহীন, বানোয়াট ও রাজনৈতিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার চেষ্টা’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন।
নায়াব আরও যুক্ত করে বলেন, এ কে আজাদ ব্যক্তিগত নির্বাচনী উদ্দেশ্য হাসিলের আড়ালে স্বৈরাচ্য চরিত্রধারী সন্ত্রাসীদের পুনরায় সংগঠিত করছেন এবং তাদের উৎসাহ দিয়ে সন্ত্রাসী কার্যক্রমে সহযোগিতা দিচ্ছেন; যা দেশের গণতন্ত্র ও শান্তির প্রাথমিক লক্ষ্যকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।
নায়াব ইউসুফ জানান, এসব কার্যক্রমের মূল লক্ষ্য হচ্ছে ‘পতিত স্বৈরাচারকে পুনরায় প্রতিষ্ঠা’ — কিন্তু সাধারণ মানুষ এটা হতে দেবে না। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, এই দেশে কোনোভাবেই স্বৈরাচ্যের পুনরাবির্ভাব হবে না এবং সর্বত্রই এসব সন্ত্রাসী কার্যক্রম রুখে দেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, এ কে আজাদ ফরিদপুর জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মণ্ডলীর একজন সদস্য।
মন্তব্য করুন
