

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


বিএনপির সংসদ সদস্য শামীম কায়সার লিংকনকে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার সমালোচনা করেছেন ইসলামিক বক্তা ও তাহরিকে খতমে নুবুওয়্যাত বাংলাদেশের আমির এনায়েতুল্লাহ আব্বাসী। তিনি দাবি করেছেন, শামীম কায়সার লিংকন সালাফি মতাদর্শের অনুসারী ও লা-মাযহাবি। এ নিয়োগের ঘটনায় তিনি তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
সম্প্রতি এক বক্তব্যে এনায়েতুল্লাহ আব্বাসী বলেন, ‘ধর্ম মন্ত্রণালয়ের মতো স্পর্শকাতর একটি মন্ত্রণালয়ে এই বিতর্কিত লা-মাযহাবি ব্যক্তিকে প্রতিমন্ত্রী দেওয়ায় আমরা তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করছি।’
তিনি বলেন, দেশের আলেম-ওলামা, পীর-মাশায়েখ, আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত ও আহলে হকের অনুসারীদের সমর্থনেই বর্তমান সরকার ক্ষমতায় এসেছে। এমন পরিস্থিতিতে শামীম কায়সার লিংকনকে ধর্ম প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়ার মধ্য দিয়ে আলেম-ওলামাদের সঙ্গে সরকারের আস্থার সম্পর্কে ‘ছিদ্র’ তৈরি হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
এনায়েতুল্লাহ আব্বাসী বলেন, ‘এই ছিদ্র সরকারকে বন্ধ করতে হবে। ছিদ্র যদি বড় হয়ে যায়, তাহলে সামাল দিতে পারবে না।’
সরকারের এই সিদ্ধান্তের পেছনে কারা রয়েছে, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। তিনি বলেন, ‘সরকার এটা কাদের খপ্পরে পড়ে করল, তা বুঝতে পারছি না। এদেশের আলেম-ওলামা, পীর-মাশায়েখ ও মূলধারার ধর্মীয় ব্যক্তিরা সরকারকে সমর্থন দিয়েছেন বলেই তারা ক্ষমতায় আসতে পেরেছে। সেখানে লা-মাযহাবিদের মনোরঞ্জন করতে গিয়ে মূলধারার আলেম-ওলামা ও পীর-মাশায়েখদের ক্ষুব্ধ করা হচ্ছে।’
তিনি আরও বলেন, সরকারের আশপাশে এমন কিছু ব্যক্তি থাকতে পারেন, যারা সরকারকে ‘বেকায়দায় ফেলতে চান’।
এনায়েতুল্লাহ আব্বাসী আরও বলেন, ‘লা-মাযহাবি মানে একদৃষ্টিতে লা-দ্বীনি।’ তিনি দাবি করেন, লা-মাযহাবি মতাদর্শ থেকে বিভিন্ন ‘বাতিল ফেরকার’ অনুসারী বের হয়েছে।
বক্তব্যের শেষ দিকে আবারও শামীম কায়সার লিংকনকে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে এনায়েতুল্লাহ আব্বাসী বলেন, ‘ধর্ম মন্ত্রণালয়ের মতো স্পর্শকাতর একটি মন্ত্রণালয়ে এই বিতর্কিত লা-মাযহাবি ব্যক্তিকে প্রতিমন্ত্রী দেওয়ায় আমরা তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করছি।’


