

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশান কার্যালয়ে সংবাদকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। রোববার (১৯ অক্টোবর) বিকেলে সিলেট বিভাগের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার চলাকালে এ ঘটনা ঘটে। এতে কয়েকজন সাংবাদিক আহত ও হেনস্তার শিকার হয়েছেন।
ঘটনার পর বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এক বিবৃতিতে দুঃখ প্রকাশ করেছেন।
‘আমার দেশ’ পত্রিকার প্রতিবেদক জাহিদুল ইসলাম জানান, সকাল থেকে তিনি গুলশান কার্যালয়ে অবস্থান করছিলেন। বিকাল সাড়ে চারটার দিকে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সঙ্গে কথা বলার সময় হঠাৎ কয়েকজন ব্যক্তি তাকে টেনে নিয়ে মারধর করেন।
তিনি বলেন, আমি ভিডিও করছিলাম। তখন ৩-৪ জন এসে জোর করে আমার মোবাইল কেড়ে নেয়, ফোন ভেঙে ফেলে ও প্রেস কার্ড ছিনিয়ে নেয়। আমি বলেছিলাম ভিডিওটা মুছে ফেলব, তবুও তারা কথা না শুনেই আমাকে বাইরে বের করে দেয়।
এ সময় দ্য ডেইলি স্টারের সাজ্জাদ, নয়া দিগন্তের অসীম আল ইমরান এবং জাগো নিউজের খালিদ হোসেনও হামলার শিকার হন বলে জানা গেছে।
ঘটনার পর উপস্থিত সাংবাদিকদের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। তারা বলেন, সংবাদকর্মীদের ওপর শারীরিক আক্রমণ, মোবাইল ফোন ভাঙচুর ও আইডি কার্ড কেড়ে নেওয়া-এসব কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
এদিকে হামলার সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ উঠেছে ফয়সাল নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। সোশ্যাল মিডিয়ায় হামলাকারীর ছবি প্রকাশ করেছেন বিএনপি বিটের কয়েকজন সাংবাদিক।
ঢাকা মেইলের চিফ রিপোর্টার বোরহান উদ্দিন বলেন, গুলশান কার্যালয়ে আজ সাংবাদিকদের ওপর হামলার নেতৃত্ব দিয়েছে ফয়সাল নামের এক ব্যক্তি। আমি ৫ আগস্টের আগে তাকে কখনো দেখিনি। তিনি নাকি খুব প্রভাবশালী। কিন্তু সাংবাদিকদের সঙ্গে এমন আচরণ কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। বিএনপি যেন তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়, সেটাই আমাদের প্রত্যাশা।
এ ঘটনায় সন্ধ্যায় এক বিবৃতিতে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, গণমাধ্যম ও রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আজকের ঘটনাটি আকস্মিক ও ভুল বোঝাবুঝি থেকে ঘটেছে। আমরা এ ঘটনার জন্য আন্তরিকভাবে দুঃখিত।
মন্তব্য করুন
