

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য, সাবেক গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী এবং সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত নানা জটিল রোগে ভুগছেন। শারীরিক অবস্থার অবনতির কারণে বর্তমানে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
পরিবার ও ঘনিষ্ঠ সূত্র জানিয়েছে, বয়সজনিত বিভিন্ন শারীরিক জটিলতার পাশাপাশি মেরুদণ্ডের সমস্যায় দীর্ঘদিন ধরে ভুগছেন এই বর্ষীয়ান রাজনীতিক।
২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর থেকে তার শারীরিক অবস্থার ক্রমাগত অবনতি হতে থাকে। বর্তমানে তিনি সক্রিয় রাজনীতি থেকে অনেকটাই দূরে রয়েছেন।
এক সময় দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে প্রভাবশালী নেতা হিসেবে পরিচিত ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে বিএনপির অন্যতম নীতিনির্ধারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ১৯৯১ সালে বিএনপি সরকারের আমলে তিনি গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। পরে ১৯৯৬ সালে শিক্ষামন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করেন।
কুমিল্লায় জন্মগ্রহণ করলেও রাজধানীর মিরপুর-পল্লবী এলাকার উন্নয়ন এবং সাধারণ মানুষের কল্যাণে দীর্ঘদিন কাজ করেছেন তিনি। নির্যাতিত নন-বাঙালি জনগোষ্ঠীর অধিকার রক্ষায়ও তার ভূমিকা বিভিন্ন সময়ে আলোচিত হয়েছে।
দলের নেতাকর্মীদের ভাষ্য, বিএনপির প্রতিকূল সময়ে মামলা, গ্রেপ্তার ও রাজনৈতিক চাপের মধ্যেও তিনি দলের পাশে ছিলেন এবং তৃণমূল নেতাকর্মীদের সাহস জুগিয়েছেন। ২০১৩ সালে তেজগাঁও থেকে সাজেদুল ইসলাম সুমনসহ আটজন নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় তিনি তাদের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে ন্যায়বিচারের দাবিতে সংহতি প্রকাশ করেছিলেন।
ব্যক্তিগত জীবনেও সম্প্রতি বড় শোকের মুখোমুখি হয়েছেন ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া। তার সহধর্মিণীর মৃত্যু তাকে মানসিকভাবে আরও ভেঙে দিয়েছে বলে জানিয়েছেন পরিবারের সদস্যরা।
তার অসুস্থতার খবর প্রকাশের পর বিএনপির নেতাকর্মী, শুভাকাঙ্ক্ষী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার দ্রুত সুস্থতা কামনা করছেন। পরিবারও দেশবাসীর কাছে তার জন্য দোয়া চেয়েছে।
তারা আশা প্রকাশ করেছেন, মহান আল্লাহর রহমতে ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া দ্রুত সুস্থ হয়ে আবারও পরিবারের সদস্য ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মাঝে ফিরে আসবেন।
