

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে ১২ দলীয় জোটের মুখপাত্র ও বাংলাদেশ লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টির সভাপতি শাহাদাত হোসেন সেলিমের এক মন্তব্য স্থানীয় রাজনীতিতে উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে।
শনিবার সন্ধ্যায় রামগঞ্জ পৌর বিএনপির সভাপতি শেখ মো. কামরুজ্জামানের বাসভবনে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় তিনি এমন কথা বলেন—“যারা দাঁড়ি-পাল্লায় ভোট না দিলে বেহেশতে যাবেন, এমন কথা বললে তাদের জিহ্বা টেনে ছেঁড়ে ফেলব।”
এই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তীব্র প্রতিক্রিয়া ওঠে; কেউ তাকে ধর্মের অপব্যবহার রোধের সাহসী উচ্চারণ বলে মূল্যায়ন করেন, আবার অনেকে এটিকে কটু ও আক্রমণাত্মক ভাষা বলে সমালোচনা করেন।
তবে সেলিম বলেন, তিনি সরাসরি এমন কোনো উক্তি বলেননি এবং তার বক্তব্য ভুলভাবে পরিবেশন করা হয়েছে। তবে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে শোনা যাচ্ছে তিনি বলছেন 'দাঁড়িপাল্লায় ভোট না দিলে বেহেশতে যাওয়া যাবেনা, এ কথা বললেই জিহ্বা ছিঁড়ে ফেলবো'।
তিনি বলেন, তিনি মূলত বলতে চেয়েছেন—ধর্মের নামে ভুলভাবে মানুষকে বিভ্রান্ত করা উচিত নয়।
ভোট একটি নাগরিক অধিকার; ধর্মীয় ভয়-ভীতি দিয়ে মানুষকে প্রভাবিত করা অনুচিত। যারা “দাঁড়িপাল্লায় ভোট না দিলে জান্নাতে যাবে বা না যাবে” এরকম বিভ্রান্তিকর প্রচার করে, তাদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া প্রয়োজন।
সেলিম আরও বলেন, তার বক্তব্যকে কটুক্তিমূলকভাবে ছড়িয়ে দিয়ে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করা হচ্ছে।
তিনি অভিযোগ করেন যে কিছু সংবাদমাধ্যম ও রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ তার কথার সংক্ষিপ্ত, বিকৃত রূপ প্রচার করে বিতর্ক উত্তেজিত করেছে।
তিনি প্রতিপক্ষ বিশেষ করে রামগঞ্জের জামায়াতকে উদ্দেশ্য করে বলেন, ধর্মীয় ভাবমূর্তিকে ব্যবহার করে গ্রামে বিভ্রান্তি ছড়ানো হয়; এমন কুপ্রচারণা রোধ করা প্রত্যেক ধর্মপ্রাণ মানুষের দায়িত্ব।
আর যারা ভোটকে ধর্মের সঙ্গে জড়িয়ে বিভ্রান্তি ছড়ায়, তাদের কর্মকাণ্ড সমালোচনার দাবি রাখে—তাই তিনি কঠোর ভাষায় প্রতিক্রিয়া দেখানোর কথা বলেছিলেন বলে ব্যাখ্যা দেন।
স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন
