

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপির প্রার্থী যাচাই-বাছাইয়ের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে।
একইসঙ্গে যুগপৎ আন্দোলনে থাকা সহযোগী দলগুলোকেও সঙ্গে নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিতে চায় দলটি। এ জন্য মিত্রদের জন্য নির্দিষ্টসংখ্যক আসন ছেড়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করছে বিএনপি।
দলীয় সূত্র জানায়, মিত্র রাজনৈতিক দল ও জোটগুলো মিলিয়ে বিএনপির কাছে ১০০ আসন চাওয়া হয়েছে। কয়েকটি দল ইতোমধ্যে সম্ভাব্য প্রার্থীর তালিকা জমা দিয়েছে, বাকিরা শিগগিরই দেবে বলে জানিয়েছে।
লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) প্রায় ১৫টি আসন চেয়েছে। গণফোরামের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সুব্রত চৌধুরী তার দলের পক্ষ থেকে ঢাকা-৬সহ প্রায় ১৫টি আসনের দাবি জানিয়েছেন।
গণতন্ত্র মঞ্চের পক্ষ থেকে ৫০ আসনের দাবি তোলা হয়েছে। এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করতে ছয় সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে তারা।
অন্যদিকে, ১২ দলীয় জোট চাইছে অন্তত ২০টি আসন, আর জাতীয়তাবাদী সমমনা জোট চেয়েছে ৯টি আসন।
প্রাপ্ত তালিকা অনুযায়ী, নড়াইল-২ থেকে মনোনয়ন চান এনপিপির চেয়ারম্যান ড. ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, কিশোরগঞ্জ-২ থেকে দলটির মহাসচিব মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফা, বগুড়া-১ থেকে জাগপার খন্দকার লুৎফর, চট্টগ্রাম-১ থেকে গণদলের এটিএম গোলাম মাওলা চৌধুরী, মানিকগঞ্জ-১ থেকে সাম্যবাদী দলের ডা. সৈয়দ নূরুল ইসলাম, ঢাকা-১৭ থেকে মুসলিম লীগের ব্যারিস্টার নাসিম খান, বাগেরহাট-১ থেকে গণতান্ত্রিক পার্টির এসএম শাহাদাত, দিনাজপুর-২ থেকে ডেমোক্রেটিক লীগের মাহবুব আলম এবং ফেনী-৩ থেকে এনডিপির আব্দুল্লাহ আল হারুন মনোনয়ন প্রত্যাশী।
বিএনপির একাধিক নীতিনির্ধারক জানিয়েছেন, মিত্রদের তালিকা পর্যালোচনার পর আলোচনার মাধ্যমে আসন বণ্টন চূড়ান্ত করা হবে।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, “এখনো বিষয়টি চূড়ান্ত হয়নি, আলোচনা চলছে।”
দলের সূত্র জানায়, সম্ভাব্য একক প্রার্থীদের প্রথমে অনানুষ্ঠানিকভাবে সবুজ সংকেত দেওয়া হবে, যাতে তারা মাঠপর্যায়ে প্রচারণা শুরু করতে পারেন। এরপর তফসিল ঘোষণার পর পার্লামেন্টারি বোর্ডের মাধ্যমে চূড়ান্ত মনোনয়ন দেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন