

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ও বিএনপির সদ্য বহিষ্কৃত নেত্রী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেছেন, শক্তিশালী শেখ হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধেও তিনি নির্ভীকভাবে কথা বলেছেন এবং ভবিষ্যতেও অন্যায়ের বিরুদ্ধে অবস্থান নেবেন।
তিনি বলেন, ‘যে অন্যায় করবে, তার বিরুদ্ধেই আমি কথা বলব। আমি শেখ হাসিনাকে চোখ রাঙিয়ে এসেছি—আমাকে থামানোর মতো কেউ নেই।’
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার নোয়াগাঁও ইউনিয়নের কুচনী গ্রামে আয়োজিত এক নির্বাচনী পথসভায় এসব কথা বলেন তিনি।
রুমিন ফারহানা আরও বলেন, ‘আমার ভরসা একমাত্র আল্লাহ তায়ালা। আমি শুধু আল্লাহকেই ভয় করি। জমিনে ফয়সালা হয়—এ কথা আমি বিশ্বাস করি না। তাই জমিনের কাউকেই আমি ভয় পাই না।’
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, এই আসনে নেতাকর্মীদের একটাই দাবি ছিল—দলের নিজস্ব প্রার্থী দেওয়া। তিনি অভিযোগ করেন, দলের যোগ্য প্রার্থী থাকা সত্ত্বেও ভাড়ায় প্রার্থী আনা হয়েছে, যার প্রতীক খেজুর গাছ। এখন আবার বলা হচ্ছে ধান আর খেজুর গাছ এক—এমন বক্তব্য নিয়েও তিনি সমালোচনা করেন।
তিনি বলেন, আমি যদি কই হাঁসই হইলো বাঘ, তাইলে কি হইব? হাঁস হইল হাঁস, বাঘ হইলো বাঘ। খেঁজুর গাছ হইলো মরুভূমির গাছ, আর ধান হইলো আমাদের প্রাণ।
চাঁদাবাজ, ব্যবসা দখলকারী ও বালু লুটকারীদের প্রতি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে রুমিন ফারহানা বলেন, নির্বাচনে এক দল যাবে, আরেক দল আসবে। তাই বলে দুই মাসে দুইশ কোটি টাকার মালিক হতে হবে, তা কিন্তু ঠিক না। মানুষ কিন্তু এমনিতে কিছু বলে না; কিন্তু মানুষ জেগে ওঠলে কী অবস্থা হয়, ৫ আগস্ট সেটা শেখ হাসিনা টের পাইছিল।
প্রসঙ্গত, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ-বিজয়নগরের দুই ইউনিয়ন) আসন থেকে স্বতন্ত্র হিসেবে লড়ছেন রুমিন ফারহানা। দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে প্রার্থী হওয়ার বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক পদ থেকে তাকে বহিষ্কার করা হয়। এ আসনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট থেকে জমিয়তে ওলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের সহ-সভাপতি জুনায়েদ আল হাবিবকে মনোনয়ন দেওয়া হয়।
মন্তব্য করুন

