

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ভিন্ন রাজনৈতিক দলের দুই প্রজন্মের অবস্থান নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে ব্যাপক আলোচনা ও কৌতূহল। জেলা আওয়ামী লীগের সঙ্গে দীর্ঘদিন সম্পৃক্ত এক নেত্রীর মেয়ে এবার বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনে সংসদ সদস্য (এমপি) হিসেবে মনোনয়ন পাওয়ায় স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে চলছে নানা আলোচনা-সমালোচনা।
জানা গেছে, বিজয়নগর উপজেলার বাসিন্দা নাদিয়া পাঠান পাপন বিএনপি থেকে সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি হিসেবে মনোনয়ন পেয়েছেন। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্বাক্ষরিত তালিকায় তার নাম ৩২ নম্বরে রয়েছে।
নাদিয়া পাঠান পাপন বিজয়নগরের চান্দুরা ইউনিয়নের চান্দুরা গ্রামের বাসিন্দা আনোয়ার হোসেনের মেয়ে। তার এই মনোনয়ন ঘিরে আলোচনার প্রধান কারণ, তার মা সৈয়দা নাখলু আক্তার দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সৈয়দা নাখলু আক্তার একসময় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কৃষক লীগের সহসভাপতি ছিলেন। এ ছাড়া তিনি বিজয়নগর উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, উপজেলা পরিষদের আওয়ামী লীগ মনোনীত ভাইস চেয়ারম্যান এবং জেলা পরিষদের সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
তবে এ বিষয়ে সৈয়দা নাখলু আক্তার বলেন, আমি আগে উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলাম, বর্তমানে সেই দায়িত্বে নেই। আমার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে আমার মেয়ের কোনো সম্পর্ক নেই।
তবে, বিজয়নগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর মৃধা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে দাবি করেন, সৈয়দা নাখলু আক্তার এখনও উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
তিনি লিখেছেন, ‘রাজনীতিতে শেষ কথা বলতে কিছু নেই। মা সৈয়দা নাখলু আক্তার ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কৃষক লীগের সহসভাপতি, বিজয়নগর উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, বিজয়নগর উপজেলা পরিষদের দলীয় ভাইস চেয়ারম্যান, জেলা পরিষদের সদস্য ছিল। কিন্তু উনার মেয়ে নাদিয়া পাঠান পাপন বর্তমানে বিএনপির সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য মনোনীত হয়েছেন! যা কিছুই হোক, বিজয়নগরের সন্তান হওয়ার কারণে দলমতের ঊর্ধ্বে উঠে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।’
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে নাদিয়া পাঠান পাপনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
মন্তব্য করুন
