শুক্রবার
২০ মার্চ ২০২৬, ৬ চৈত্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শুক্রবার
২০ মার্চ ২০২৬, ৬ চৈত্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পশ্চিম তীর দখল নীতির তীব্র নিন্দা জানাল বাংলাদেশ

এনপিবি ডেস্ক
প্রকাশ : ২৪ অক্টোবর ২০২৫, ০৩:৩০ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
expand
ছবি: সংগৃহীত

ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরকে ইসরায়েলের সঙ্গে একীভূত করার উদ্দেশ্যে একটি বিল পাস করেছে ইসরায়েলি পার্লামেন্ট ‘নেসেট’। এই পদক্ষেপের তীব্র সমালোচনা ও নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকার।

শুক্রবার (২৪ অক্টোবর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতি প্রকাশ করে জানায়, অধিকৃত পশ্চিম তীরের ওপর ইসরায়েলের সার্বভৌমত্ব আরোপের প্রচেষ্টা আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘ সনদের স্পষ্ট লঙ্ঘন।

বিবৃতিতে বলা হয়, ইসরায়েল অবৈধভাবে বসতি স্থাপন ও সম্প্রসারণ চালিয়ে যাচ্ছে, যা জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের ২৩৩৪ নম্বর প্রস্তাব এবং আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের পরিপন্থী।

ঢাকা সরকার জোর দিয়ে জানায়, ইসরায়েলের পূর্ব জেরুজালেমসহ ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডের ওপর কোনো সার্বভৌমত্ব নেই। ফিলিস্তিনের ওপর দখলদারিত্ব ও জোরপূর্বক দখল আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের স্বীকৃত সীমারেখা লঙ্ঘন করছে।

বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের (ICJ) সাম্প্রতিক পরামর্শমূলক অভিমতকে স্বাগত জানিয়ে বলে, এই রায় ইসরায়েলের প্রতি তার আন্তর্জাতিক বাধ্যবাধকতা স্মরণ করিয়ে দিয়েছে।

আদালত স্পষ্ট করেছে যে, দখলদার শক্তি হিসেবে ইসরায়েল ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের লঙ্ঘন করছে।

বিবৃতিতে বাংলাদেশ পুনর্ব্যক্ত করে, আমরা ফিলিস্তিনি জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার, স্বাধীনতা এবং রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামের প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানাই।

বাংলাদেশ দৃঢ়ভাবে সমর্থন জানায়—১৯৬৭ সালের সীমারেখার ভিত্তিতে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা, পূর্ব জেরুজালেমকে সেই রাষ্ট্রের রাজধানী ঘোষণা, এবং দীর্ঘদিন ধরে চলা দখলদার নীতির অবসান।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আহ্বান জানায়, ইসরায়েলের এই পদক্ষেপ রোধে একটি ঐক্যবদ্ধ কূটনৈতিক প্রতিক্রিয়া গড়ে তুলতে এবং দখলদার নীতি প্রতিহত করতে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে।

বাংলাদেশ বিশ্বাস করে— স্থায়ী শান্তি, ন্যায়বিচার ও নিরাপত্তার একমাত্র পথ হলো একটি স্বাধীন, সার্বভৌম এবং টেকসই ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন