শুক্রবার
০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শুক্রবার
০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সয়াবিন তেলের দাম বাড়ানো নিয়ে যা জানালেন বাণিজ্যমন্ত্রী

এনপিবি ডেস্ক
প্রকাশ : ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:০৯ এএম আপডেট : ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:১০ এএম
ছবি: এনপিবি গ্রাফিক্স
expand

আন্তর্জাতিক বাজারে দাম ওঠানামা এবং আমদানি ও প্রক্রিয়াকরণের বিভিন্ন ব্যয় বিবেচনায় নিয়ে দেশে ভোজ্যতেলের দাম নির্ধারণ করা হয় বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

বৃহস্পতিবার (০৩ সেপ্টেম্বর) মহাখালীতে সয়াবিন তেলের দাম বাড়ানোর কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, সয়াবিন তেল পুরোপুরি আমদানিনির্ভর পণ্য। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে এর দামে পরিবর্তন হলে দেশের বাজারেও সরাসরি তার প্রভাব পড়ে। আমদানি করা তেলের দাম নির্ধারণে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের একটি নির্দিষ্ট হিসাব পদ্ধতি বা ফর্মুলা রয়েছে।

তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারের এফওবি মূল্যের সঙ্গে জাহাজ ভাড়া, খালাস ব্যয়, বিমা, রিফাইনারিতে প্রক্রিয়াকরণ খরচ এবং পরিবহনকালীন অপচয় (ওয়েস্টেজ) যুক্ত করে দেশে ভোজ্যতেলের চূড়ান্ত দাম নির্ধারণ করা হয়।

আন্তর্জাতিক ইনডেক্স অনুসরণ করলেই এই হিসাব সাধারণ মানুষ ও গণমাধ্যমকর্মীরাও মিলিয়ে দেখতে পারেন। এফওবি মূল্য সম্পর্কে মন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে পণ্য জাহাজে তুলে দেওয়া পর্যন্ত বিক্রেতার যে ব্যয় হয়, সেটিই এফওবি মূল্য। এরপরের ব্যয়গুলো আমদানিকারক বা ক্রেতাকে বহন করতে হয়।

তিনি জানান, বুধবার ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে ভোজ্যতেলের দাম আরো বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল।

অন্যদিকে বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন (বিটিটিসি) প্রতি লিটারে ১০ টাকা দাম বাড়ানোর সুপারিশ করেছিল। তবে ভোক্তাদের স্বার্থ ও সামগ্রিক বাজার পরিস্থিতি বিবেচনায় সরকার তুলনামূলক কম হারে দাম সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

বাণিজ্যমন্ত্রী আরো বলেন, দেশে ভোজ্যতেলের ব্যবসা মূলত বেসরকারি খাতনির্ভর। আমদানিকারকরা দীর্ঘদিন লোকসানে থাকলে বাজারে সরবরাহ সংকট তৈরি হতে পারে। তাই বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং উদ্যোক্তারা যেন লোকসানের কারণে ব্যবসা গুটিয়ে নিতে বাধ্য না হন, সে জন্য দাম নির্ধারণে একটি যৌক্তিক ভারসাম্য বজায় রাখা প্রয়োজন।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
X
City bank
City bank