

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


অতীতের কর্তৃত্ববাদ, ফ্যাসিবাদ ও অন্যায় যেন আর কখনো ফিরে আসতে না পারে, সে জন্য রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে অনুসরণ করে সমাজ ও রাষ্ট্রের সব ক্ষেত্রে ইসলাম ধর্মের শান্তি, ন্যায় ও সম্প্রীতির মর্মবাণী লালন করার আহবান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সন্ধ্যায় জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষ্যে পক্ষকালব্যাপী সিরাতুন্নবী (সা.) অনুষ্ঠানমালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।
রাষ্ট্রপতি বলেন, ইনসাফের সমাজ গঠন মানুষের মর্যাদা প্রতিষ্ঠা এবং ন্যায় ও ইনসাফের সমাজ গঠনই ছিল মহানবী হযরত মুহাম্মদ সা. এর অন্যতম শিক্ষা। আজকের বিশ্বে হিংসা, সংঘাত, অসহিষ্ণুতা, বৈষম্য, উগ্রতা, মিথ্যা ও নৈতিক অবক্ষয়ের যে বিস্তার ঘটেছে তা থেকে উত্তরণে মহানবীর আদর্শ অনুসরণের বিকল্প নেই।
রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবন ও আদর্শ অনুসরণের মাধ্যমেই একটি শান্তি, সাম্য, মানবিকতা ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠন করা সম্ভব।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের ধর্মপ্রাণ মানুষ স্বাধীনভাবে ধর্ম পালন করবেন। সকল ধর্মের মানুষ নিরাপদ ও সম্মানজনক জীবনযাপন করবেন এবং ন্যায়বিচার, সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও পারস্পরিক সৌহার্দ্য হবে আমাদের রাষ্ট্র ও সমাজের ভিত্তি। বিএনপি সরকারের দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ২০৩০ সালের আগে দেশের সকল মসজিদসহ অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয় মাসিক সম্মানী ভাতার আওতায় আসবে।
পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে দেশবাসীসহ বিশ্বের সব মুসলমানকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানিয়ে তিনি আরও বলেন, বিভেদ, প্রতিহিংসা ও প্রতিশোধ কখনো কোনো জাতিকে শক্তিশালী করতে পারে না। তাই গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার, সুশাসন এবং মানুষের মৌলিক অধিকার রক্ষায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।
বাংলাদেশকে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে আখ্যায়িত করে রাষ্ট্রপতি ন্যায়বিচার, সাম্য ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ে তোলার ওপর জোর দেন। একই সঙ্গে ব্যক্তি, পারিবারিক, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে মহানবী (সা.)-এর আদর্শ অনুসরণের জন্য সবার প্রতি আহবান রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।


