শুক্রবার
২০ মার্চ ২০২৬, ৬ চৈত্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শুক্রবার
২০ মার্চ ২০২৬, ৬ চৈত্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিক্ষা ভবন অভিমুখে আজ শিক্ষকদের ভূখা মিছিল

এনপিবি ডেস্ক
প্রকাশ : ১৯ অক্টোবর ২০২৫, ০৯:০২ এএম
শিক্ষকদের আন্দোলন
expand
শিক্ষকদের আন্দোলন

বাড়িভাড়া বৃদ্ধি ও অন্যান্য তিন দফা দাবিতে এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে অবস্থান ও আন্দোলন চালিয়ে আসছেন বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীরা। বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হওয়া আমরণ অনশনে বহু শিক্ষক অসুস্থ হয়ে পড়েছেন।

আন্দোলনকারীরা রোববার (১৯ অক্টোবর) নতুন এক কর্মসূচি নিয়ে শিক্ষা ভবন অভিমুখে রওনা দেবেন - নাম করলেন ‘ভূখা মিছিল’; এতে অংশগ্রহণকারীরা খালি থালা-প্লেট হাতে নেবে।

শহীদ মিনার থেকে শিক্ষা ভবনের দিকে ভোর থেকে এই প্রতীকী মিছিল শুরু হবে বলে জানানো হয়েছে। এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোটের সদস্যসচিব অধ্যক্ষ দেলাওয়র হোসেন আজিজী বলেন, দাবি আদায়ের লক্ষ্যে আজ আমরা ভূখা মিছিল করবো। ইতোমধ্যেই প্রায় একশটি শিক্ষক আমরণ অনশনে রয়েছেন, বাকিরা অবস্থান কর্মসূচিতে যুক্ত আছেন।

ভূখা মিছিল প্রথাগতভাবে এমন একটি প্রতিবাদ রূপ, যেখানে অংশগ্রহণকারীরা ক্ষুধার্ত অবস্থায় সড়কে মিছিল করে তাদের দাবি ও অসন্তোষ মানুষের নজরে এনে দিতে চান।

সাধারণত এটি খাদ্য সংকট, দুর্বল আর্থ-সামাজিক নীতির বিরুদ্ধে কিংবা ন্যায্য মজুরি দাবিতে ব্যবহৃত হয়; এখানে অংশগ্রহণকারীরা প্রতীকীভাবে খাবার বর্জন করে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করার চেষ্টা করেন।

শিক্ষক নেতারা তাদের মূল তিন দাবি পুনরায় স্পষ্ট করেন- মূল বেতনের ভিত্তিতে ২০ শতাংশ বাড়িভাড়া ভাতা, প্রত্যেক কর্মীর জন্য ১,৫০০ টাকা মেডিকেল ভাতা এবং কর্মচারীদের জন্য উৎসব ভাতায় ৭৫ শতাংশ প্রদানের প্রজ্ঞাপন জারি। অধ্যক্ষ দেলাওয়র আজিজী জোর দিয়ে বলেন, “২০ শতাংশ মানে ২০ শতাংশই; ১৫০০ মানে ১৫০০ কোনো হ্রাস গ্রহণযোগ্য নয়। যতক্ষণ এসব দাবি বাস্তবায়িত হবে না, ততক্ষণ সারা দেশের শিক্ষকরা রাজপথ ছাড়বেন না। প্রয়োজনে জীবন পর্যন্ত বিসর্জন দেব তবু দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত থেমে থাকব না।”

তাদের কথায়, কর্মসূচিটি আপাত শান্তিপূর্ণ হলেও আবেদন ও ভাবমূর্তি দিয়ে দাবি আদায় না হলে আন্দোলন তীব্রতর হওয়ার হুমকি দিয়েছেন নেতারা। এদিকে সরকারের পক্ষ থেকে এখনো ওই দাবিসমূহ মেনে নেওয়া বা প্রজ্ঞাপন জারির কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা নেই; ফলে শিক্ষক নেতারা বলছেন, আন্দোলনের চাপ বাড়বে যতক্ষণ না আশা অনুসারে সিদ্ধান্ত আসে।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন