শুক্রবার
২০ মার্চ ২০২৬, ৬ চৈত্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শুক্রবার
২০ মার্চ ২০২৬, ৬ চৈত্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কার্গো নিরাপত্তায় আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির পরেই কার্গো ভিলেজে আগুন

এনপিবি ডেস্ক
প্রকাশ : ১৮ অক্টোবর ২০২৫, ০৫:২৩ পিএম
শাহজালালে কার্গো ভিলেজে আগুন
expand
শাহজালালে কার্গো ভিলেজে আগুন

মাত্র কয়েকদিন আগেই আন্তর্জাতিকভাবে বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) পেয়েছিল গুরুত্বপূর্ণ স্বীকৃতি।

যুক্তরাজ্যের ডিপার্টমেন্ট ফর ট্রান্সপোর্ট (ডিএফটি, ইউকে) পরিচালিত সাম্প্রতিক মূল্যায়নে, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সামগ্রিকভাবে ৯৩ শতাংশ এবং কার্গো নিরাপত্তায় শতভাগ নম্বর অর্জন করে।

সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরও সামগ্রিক মানদণ্ডে ৯৪ শতাংশ এবং কার্গো নিরাপত্তায় তারাও পেয়েছে ১০০ শতাংশ স্কোর।

বেবিচক গত ১২ অক্টোবর এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, ডিএফটির পরিদর্শকরা তাদের প্রস্তুতি ও কার্যক্রমে "গভীর সন্তুষ্টি" প্রকাশ করেছেন। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, ডিএফটির এয়ারপোর্ট অ্যাসেসমেন্ট হলো যুক্তরাজ্য সরকারের একটি আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা যাচাই ব্যবস্থা, যেখানে বিদেশি বিমানবন্দরগুলোর যাত্রী ও কার্গো নিরাপত্তা মান যাচাই করা হয়।

২০১৬ সালে নিরাপত্তা ঘাটতির কারণে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও যুক্তরাজ্য বাংলাদেশের কার্গো পরিবহনে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল। এর পর থেকে বেবিচক কার্গো স্ক্রিনিংয়ে আধুনিক প্রযুক্তি যুক্ত করে নিরাপত্তা জোরদার করে, যার ফলেই এ স্বীকৃতি অর্জন সম্ভব হয়।

এ স্বীকৃতি অর্জনের কয়েকদিনের মাথায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটলো।

সর্বশেষ খবর অনুযায়ী, আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ৩৬টি ইউনিট করছে। ফায়ার সার্ভিসের পাশাপাশি আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে নৌ ও বিমানবাহিনী।

এদিকে, বেবিচকের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছিল, ডিএফটির এয়ারপোর্ট অ্যাসেসমেন্ট হলো যুক্তরাজ্য সরকারের একটি আনুষ্ঠানিক আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা মূল্যায়ন ব্যবস্থা। এর মাধ্যমে বিদেশি বিমানবন্দরগুলোতে যাত্রী ও কার্গো নিরাপত্তা মানদণ্ড যাচাই করা হয়। বিশেষ করে যুক্তরাজ্যের অতিরিক্ত নিরাপত্তা চাওয়া মানদণ্ডগুলো ঠিকভাবে বাস্তবায়িত হয়েছে কি না তা পর্যালোচনা করা হয়। পরিদর্শন কার্যক্রমে সরেজমিন পর্যবেক্ষণ, নীতিমালা পরীক্ষা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার কার্যকারিতা যাচাই করা হয়।

২০১৭ সাল থেকে যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশের মধ্যে এই মূল্যায়ন প্রক্রিয়া নিয়মিতভাবে চালু রয়েছে। ২০১৬ সালে কার্গো স্ক্রিনিং নিয়ে উদ্বেগের কারণে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও যুক্তরাজ্য ঢাকাগামী কার্গো পরিবহনে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল। এর ফলে রফতানির ক্ষেত্রে কার্গোতে তৃতীয় দেশে অতিরিক্ত নিরাপত্তা স্ক্রিনিং করতে হতো, যা রপ্তানিকারকদের জন্য বিলম্ব ও অতিরিক্ত খরচের সৃষ্টি করেছিল।

এরপর বেবিচক ও বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ আধুনিক ডিটেকশন সিস্টেম সংযুক্ত করে কার্গো নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী করে।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন