

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় বিভিন্ন ধরনের ভাতা ও শিক্ষা উপবৃত্তির জন্য অনলাইনে আবেদন গ্রহণ শুরু হয়েছে। গত ১ আগস্ট থেকে শুরু হওয়া এই আবেদন কার্যক্রম চলবে আগামী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত।
সম্প্রতি সমাজসেবা অধিদপ্তরের সামাজিক নিরাপত্তা অধিশাখা থেকে জারি করা এক নির্দেশনায় এ তথ্য জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে দেশের আটটি বিভাগের সমাজসেবা কার্যালয়ের পরিচালকদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নির্দেশনা অনুযায়ী, বয়স্ক ভাতা, বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা নারী ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা, প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের শিক্ষা উপবৃত্তি এবং বিশেষ জনগোষ্ঠীর জন্য ভাতা ও শিক্ষা উপবৃত্তির আবেদন করা যাবে। বিশেষ জনগোষ্ঠীর আওতায় হিজড়া, বেদে, অনগ্রসর জনগোষ্ঠী ও চা-শ্রমিকদের জন্য নির্ধারিত ভাতা ও শিক্ষা উপবৃত্তিও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
এ ছাড়া এসব কর্মসূচির আওতায় প্রাপ্য সুবিধা, আর্থিক সহায়তা, সামাজিক সুরক্ষা এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে রেমিট্যান্সে অতিরিক্ত সরকারি প্রণোদনাও বহাল থাকবে বলে নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে।
আবেদনের ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধী ভাতা বা প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের শিক্ষা উপবৃত্তির জন্য আবেদনকারীর সমাজসেবা অধিদপ্তর কর্তৃক ইস্যুকৃত সুবর্ণ নাগরিক নম্বর বা কার্ড থাকা বাধ্যতামূলক। পাশাপাশি আবেদনকারীর জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) দিয়ে নিবন্ধিত একটি সচল মোবাইল নম্বর অথবা নিজস্ব ব্যাংক বা মোবাইল ব্যাংকিং হিসাবের তথ্য দিতে হবে। ব্যাংক হিসাব ব্যবহার করলে যোগাযোগের জন্য একটি সচল মোবাইল নম্বরও উল্লেখ করতে হবে।
নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, অন্য কোনো সরকারি সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় নিয়মিত সুবিধাভোগীরা এ কর্মসূচির জন্য বিবেচিত হবেন না। তবে যারা আগে অনলাইনে আবেদন করে অপেক্ষমাণ তালিকায় রয়েছেন, তাদের নতুন করে আবেদন করার প্রয়োজন হবে না।
আগ্রহীরা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে dss.bhata.gov.bd/online-application ঠিকানায় গিয়ে আবেদন করতে পারবেন। আবেদন অবশ্যই আবেদনকারীর স্থায়ী ঠিকানার ভিত্তিতে করতে হবে। প্রতিবন্ধী ভাতার আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে সুবর্ণ নাগরিক কার্ড থাকা বাধ্যতামূলক।
সমাজসেবা অধিদপ্তর জানিয়েছে, নতুন আবেদন এবং অপেক্ষমাণ তালিকায় থাকা আবেদনগুলো যাচাই-বাছাই শেষে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ও বরাদ্দের ভিত্তিতে চূড়ান্ত উপকারভোগী নির্বাচন করা হবে। নির্বাচিত ব্যক্তিরা ১ জুলাই থেকে ভাতা ও শিক্ষা উপবৃত্তির সুবিধা পাওয়ার যোগ্য হিসেবে বিবেচিত হবেন।
আবেদন কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়নের জন্য বিভাগীয় পরিচালক, জেলা ও উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়, জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আবেদন বা যাচাই-বাছাইয়ের সময় কোনো কারিগরি সমস্যা দেখা দিলে সমাজসেবা অধিদপ্তরের সামাজিক নিরাপত্তা অধিশাখার টেকনিক্যাল টিমের সঙ্গে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।