বৃহস্পতিবার
২৩ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
বৃহস্পতিবার
২৩ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আটাব নির্বাচন: ত্রুটিপূর্ণ ভোটার তালিকা বাতিল ও পুনঃতফসিলের দাবি 

এনপিবি প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২২ জুলাই ২০২৬, ০৯:৩৫ পিএম
ছবি : সংগৃহীত।
expand
ছবি : সংগৃহীত।

অ্যাসোসিয়েশন অব ট্রাভেল এজেন্টস অব বাংলাদেশ (আটাব)–এর ২০২৬–২০২৮ মেয়াদের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে পাঁচ দফা দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী প্রার্থী ও সাধারণ সদস্যরা।

বুধবার (২২ জুলাই) রাজধানীর নয়াপল্টনের একটি রেস্টুরেন্টে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি তুলে ধরা হয়। সংবাদ সম্মেলনে আটাবের সাবেক মহাসচিব আফসিয়া জান্নাত সালেহ, প্যানেল প্রধান এ এস এম ইব্রাহিম, দিদারুল হক ও মাহমুদুল আলম সিদ্দিকীসহ সংগঠনটির সাধারণ সদস্য ও ভুক্তভোগী প্রার্থীরা বক্তব্য দেন।

এসময়, নির্বাচন ও আপিল বোর্ড পুনর্গঠন, বৈধ প্রার্থীদের নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ, নতুন ভোটার তালিকা প্রণয়ন, পুনঃতফসিল ঘোষণা এবং সব প্রার্থীর জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, গত ১২ জুন প্রকাশিত আটাবের চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় অনিয়ম হয়েছে। তাঁদের অভিযোগ, বাতিল লাইসেন্সধারী প্রতিষ্ঠান, ভুয়া ভোটার ও মৃত ব্যক্তিদের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হলেও ৪৬ জন বৈধ সদস্যকে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে।

এ ছাড়া বাণিজ্য সংগঠন বিধিমালা, ২০২৫–এর ভুল প্রয়োগ করে আটাবের সাবেক সভাপতি আব্দুস সালাম আরেফ, সাবেক মহাসচিব আফসিয়া জান্নাত সালেহ, সাবেক সহসভাপতি জিয়াউর রহমান খান রেজোয়ান এবং সাবেক উপমহাসচিব ইদ্রিস মিয়ার মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছিল বলেও অভিযোগ করেন তাঁরা। বক্তারা বলেন, এসব বিষয়ে এফবিসিসিআই সালিশ ট্রাইব্যুনালে করা মামলার রায়ে গত ২১ জুলাই বিতর্কিত চূড়ান্ত ভোটার তালিকা বাতিল, চার নেতার প্রার্থিতা পুনর্বহাল এবং নির্বাচনী তফসিলের কয়েকটি কার্যক্রম বাতিল করে নতুন করে পুনঃতফসিল ঘোষণার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তাঁদের আরও অভিযোগ, তিন সদস্যের আপিল বোর্ডের একজন সদস্য শুনানিতে উপস্থিত না থাকলেও সিদ্ধান্তে তাঁর স্বাক্ষর নেওয়া হয়। এ ঘটনাকে প্রাকৃতিক ন্যায়বিচারের মূলনীতি লঙ্ঘন হিসেবে উল্লেখ করে তাঁরা বলেন, এ ধরনের প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নেওয়া সিদ্ধান্ত কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

সংবাদ সম্মেলনে বাণিজ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করে পাঁচ দফা দাবি জানানো হয়।

দাবিগুলো হলো—অনিয়ম ও কোরাম ভঙ্গের অভিযোগে বর্তমান নির্বাচন ও আপিল বোর্ড বাতিল করে নিরপেক্ষ ও যোগ্য ব্যক্তিদের নিয়ে নতুন বোর্ড গঠন; প্রার্থিতা পুনর্বহাল হওয়া চার নেতাসহ অন্যায়ভাবে বাদ পড়া সব বৈধ প্রার্থীকে নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া; ভুয়া ও বাতিল লাইসেন্সধারী প্রতিষ্ঠান বাদ দিয়ে নতুন করে আইনানুগ ভোটার তালিকা প্রণয়ন; এফবিসিসিআই সালিশ ট্রাইব্যুনালের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী নতুন নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা এবং সব প্রার্থীর জন্য সমান সুযোগ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন