

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


বগুড়ার শাজাহানপুরে পান ব্যবসায়ী হামেদ আলী (৫৮) মৃত্যুর ১৯ ঘণ্টা পর রোববার বিকেলে দাফন করা হয়েছে।
জানা গেছে, মৃত্যুর আগে তিনি তার একমাত্র ছেলে মাসুদ রানাকে (৩০) সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করেছিলেন। পরে ছেলে মাসুদ ন্যায্য অধিকার পাওয়ার পরই দাফন সম্পন্ন হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে রাজশাহী থেকে পান এনে শাজাহানপুরের হাট-বাজারে পাইকারি দরে বিক্রি করতেন হামেদ আলী। দুই মেয়ের নামে তিনি বসতবাড়ি ও সম্পত্তি লিখে দেওয়ায় ছেলে উত্তরাধিকারের দাবিতে তার মত প্রকাশ করে।
শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় মারা যাওয়ার পর মাসুদ রানা জানায়, তার ন্যায্য অধিকার না দিলে দাফন করবে না।
ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় চেয়ারম্যান আতিকুর রহমান, প্যানেল চেয়ারম্যান তাজুল ইসলামসহ আত্মীয়-স্বজন মধ্যস্থতায় বসে বিষয়টি মীমাংসা করেন।
রোববার দুপুরে সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে সম্পত্তির দলিল সম্পাদনের পর বিকেল ৩টায় হামেদ আলীর জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হয়।
আড়িয়া ইউপি চেয়ারম্যান জানান, মৃত্যুর আগে দোতলা বাড়ি, ১২ ভিটা ও ৭৩ শতক জমি স্ত্রী ও মেয়ের নামে লিখে দেন। পরে সালিশ ও মুসলিম ফারায়েজ অনুযায়ী সম্পত্তি ভাগ করে নেওয়ার পর দাফন করা হয়।
হামেদ আলীর বড় বোন হামিদা বেগম বলেন, “ছেলেকে বঞ্চিত করা অন্যায় ছিল, তবে স্থানীয়দের তৎপরতায় মাসুদ তার ন্যায্য অধিকার ফিরে পেয়েছে।”
মাসুদ রানা’র সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
মন্তব্য করুন
