

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


রাজধানীর সাতটি সরকারি কলেজকে পৃথক বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের লক্ষ্যে প্রণীত ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি (ঢাকেবি)’ অধ্যাদেশের কাজ প্রায় ৮০ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছে শিক্ষা উপদেষ্টা দপ্তর। এ আশ্বাসের ভিত্তিতে চলমান আন্দোলন আপাতত স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছে শিক্ষার্থীরা।
সোমবার (১৩ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে সচিবালয় থেকে বের হয়ে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থী তানজিমুল আবিদ। তিনি শিক্ষার্থীদের ২৩ সদস্যের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন।
তানজিমুল আবিদ জানান, তারা শিক্ষা উপদেষ্টার ব্যক্তিগত সচিবের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। সেখানে তাদের জানানো হয়, অধ্যাদেশের প্রথম ধাপ সম্পন্ন হয়েছে এবং দ্বিতীয় ধাপে কাজ চলছে, যা সবচেয়ে সময়সাপেক্ষ। এ ধাপে জমা হওয়া প্রায় ৬ হাজার ই-মেইল যাচাই করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের উদ্বেগের কারণে যাচাইয়ে নিয়োজিত জনবল ২ জন থেকে বাড়িয়ে ৫ জন করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, পরবর্তী ধাপে অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করা হবে। প্রায় ১,২০০ শিক্ষক, দেড় লাখ শিক্ষার্থী, রাজনৈতিক ছাত্র সংগঠন, বুদ্ধিজীবী ও শিক্ষাবিদদের সঙ্গে আলোচনা শেষ না করে সরকার চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে যেতে পারছে না। এই আলোচনা শেষ করতে তিন থেকে চার দিন সময় লাগতে পারে।
তানজিমুল বলেন, “এই দীর্ঘমেয়াদি ধাপটি শেষ হলেই অধ্যাদেশের প্রায় ৮০ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হবে। এরপর কেবিনেটে উপস্থাপন ও রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষর নিতে মাত্র ২ থেকে ৪ দিন লাগবে।”
তিনি অভিযোগ করেন, আন্দোলন চলাকালে শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিকভাবে ভুগতে হয়েছে। এ সময়ে দুজন শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হন। একজনকে শিক্ষকদের মারধরের ফলে রক্তাক্ত অবস্থায় হাসপাতালে নিতে হয়। এছাড়া দুজন শিক্ষার্থী জ্ঞান হারান, যার মধ্যে একজন ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
উল্লেখ্য, চলতি বছরের ২৬ মার্চ সরকার ঢাকা কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ, শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ, কবি নজরুল সরকারি কলেজ, সরকারি বাঙলা কলেজ ও সরকারি তিতুমীর কলেজ—এই সাতটি কলেজকে পৃথক করে ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি’ নামে নতুন একটি বিশ্ববিদ্যালয় গঠনের ঘোষণা দেয়।
মন্তব্য করুন