

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


বিশ্বজুড়ে আজ ১১ অক্টোবর, পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস। জাতিসংঘ ঘোষিত এই দিবসটি প্রতিবছর নারীশিশুদের অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে সচেতনতা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে পালন করা হয়। অনেক দেশে দিবসটি ‘গার্লস ডে’ নামেও পরিচিত।
"The Girl, I Am, The Change Lead: Girls on the Frontlines of Crisis" বাংলা অর্থে— “আমি সেই মেয়ে, আমিই পরিবর্তনের নেতৃত্ব দিই: সংকটের সামনের সারিতে মেয়েরা।”
এই প্রতিপাদ্য তুলে ধরছে—বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক ও প্রাকৃতিক সংকটেও মেয়েরা কেবল ভুক্তভোগী নয়, বরং তারা পরিবর্তনের চালিকা শক্তি হতে পারে।
এই দিবসটি প্রথম উদযাপিত হয় ২০১২ সালের ১১ অক্টোবর, তবে তার প্রস্তাব গৃহীত হয় ২০১১ সালের ১৯ ডিসেম্বর, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে।
এই উদ্যোগটির পেছনে ছিল আন্তর্জাতিক বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল। তারা তাদের ‘Because I Am a Girl’ নামক একটি বৈশ্বিক ক্যাম্পেইনের অংশ হিসেবে দিবসটি প্রচারের কাজ শুরু করে। বিশেষ করে কানাডা শাখার সক্রিয় অংশগ্রহণে কানাডা সরকার জাতিসংঘে প্রস্তাব উত্থাপন করে, যা পরে গৃহীত হয়।
এই দিবস পালনের মূল লক্ষ্য হচ্ছে: নারীশিশুদের বিরুদ্ধে বৈষম্য, সহিংসতা ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ
শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও আইনি সহায়তার অধিকার রক্ষা
নারীশিশুদের জন্য নিরাপদ ও সমান সুযোগ নিশ্চিত করা
বিশ্বের বহু দেশে আজকের দিনে বিভিন্ন আয়োজনের মাধ্যমে মেয়েশিশুদের আত্মবিশ্বাস, নেতৃত্বের ক্ষমতা এবং অধিকার সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করা হয়।
প্রতি বছরের আলাদা প্রতিপাদ্য
প্রথম আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবসের থিম ছিল—
“বাল্যবিবাহ বন্ধ করা”। এরপর থেকে প্রতি বছর আলাদা আলাদা বিষয়বস্তু নিয়ে দিবসটি পালিত হয়ে আসছে।
এবারের প্রতিপাদ্য তুলে ধরেছে—বিশ্বব্যাপী চলমান যুদ্ধ, প্রাকৃতিক দুর্যোগ কিংবা অর্থনৈতিক সঙ্কটেও নারীশিশুরা নেতৃত্ব দিতে পারে, দিতে জানে। তারা শুধু সুরক্ষার দাবি করে না, বরং পরিবর্তনের জন্য লড়েও।
মন্তব্য করুন
