

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে দেশের সব ধরনের সিগারেটের দাম বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হতে পারে। পাশাপাশি নিকোটিন পাউচ আমদানির ওপর ৩৫০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক আরোপ এবং হিটেড টোব্যাকো পণ্যের ক্ষেত্রে প্রতি ১০ শলাকার ওপর বিদ্যমান ২১০ টাকার সম্পূরক শুল্ক ৬৭ শতাংশে উন্নীত করার প্রস্তাব থাকতে পারে।
আজ বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপন করবেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
প্রায় ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার এ বাজেটে তামাক ও তামাকজাত পণ্যের ওপর কর ও শুল্ক বৃদ্ধি-সংক্রান্ত এসব প্রস্তাব অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।
অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, রাজস্ব সম্ভাবনা ও স্বাস্থ্যঝুঁকির সর্বোচ্চ সমন্বয় বিবেচনায় নিয়ে তামাক ও তামাকজাত পণ্যের ক্ষেত্রে সিগারেটের ন্যূনতম খুচরামূল্য নিম্নস্তরের ক্ষেত্রে প্রতি ১০ শলাকা ৬২ টাকা, মধ্যমস্তর ৯২ টাকা, উচ্চস্তর ১৬০ টাকা এবং অতি উচ্চস্তর ২১০ টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব করা হতে পারে।
অর্থাৎ সিগারেটের প্রতি ১০ শলাকায় নিম্নস্তরে ৬০ টাকা থেকে ২ টাকা বাড়িয়ে ৬২ টাকা, মধ্যমস্তরে ৮০ টাকা থেকে ১২ টাকা বাড়িয়ে ৯২ টাকা, উচ্চস্তরে ১৪০ টাকা থেকে ২০ টাকা বাড়িয়ে ১৬০ টাকা এবং অতি উচ্চস্তরে ১৮৫ টাকা থেকে ২৫ টাকা বাড়িয়ে ২১০ টাকা করার প্রস্তাব থাকতে পারে।
সূত্রে জানা গেছে, বাজেটে এবার প্রথমবারের মতো নিকোটিন পাউচ ও হিটেড টোব্যাকোর ওপর নিম্নবর্ণিত হারে সর্বোচ্চ খুচরামূল্য ও সম্পূরক শুল্ক আরোপের প্রস্তাব করা হতে পারে।
নিকোটিন পাউচের ৫০০ টাকায় (প্রতি ১০ গ্রাম) ৪০ শতাংশ ও হিটেড টোব্যাকোয় ২১০ টাকায় (প্রতি ১০ শলাকা) ৬৭ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক আরোপের প্রস্তাব থাকতে পারে।
একই সঙ্গে অবৈধ তামাকপণ্যের বাণিজ্য প্রতিরোধের লক্ষ্যে তামাকপণ্যের উৎপাদন ও সরবরাহ নিবিড় মনিটরিং করার জন্যে ‘ট্র্যাক অ্যান্ড ট্রেস’ পদ্ধতি প্রণয়নের প্রস্তাব করা হতে পারে।
অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, জনস্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর নিকোটিন গ্র্যানুলস ও নিকোটিন পাউচ আমদানি নিরুৎসাহিত করার জন্য নতুন কোড সৃজনপূর্বক ৩৫০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক আরোপের প্রস্তাব করা হতে পারে।
