

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


প্রসিকিউটর গাজী এম এইচ তামিম জানিয়েছেন, সংবিধান ও আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন অনুযায়ী সেনা কর্মকর্তাদের বিচার ট্রাইব্যুনালে বাধা নেই।
বৃহস্পতিবার বিবিসি বাংলার প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশিত হয়।
গত বুধবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ২৪ জন সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন। এই কর্মকর্তাদের মধ্যে ১৪ জন কর্মরত এবং ১০ জন অবসরপ্রাপ্ত।
তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে গুম ও নির্যাতনের দুটি মামলায়, যা পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে সংঘটিত হয়। ট্রাইব্যুনাল নির্দেশ দিয়েছে, আগামী ২২ অক্টোবরের মধ্যে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করে আদালতে হাজির করতে হবে।
এ ঘটনায় প্রশ্ন উঠেছে—যদি সামরিক বাহিনীর কোনো সদস্য বা কর্মকর্তা ফৌজদারি অপরাধের অভিযোগে অভিযুক্ত হন, তাহলে তার বিরুদ্ধে কোন আইন প্রযোজ্য হবে? সামরিক আদালত নাকি সাধারণ ফৌজদারি আইন অনুযায়ী বিচার হবে?
প্রসিকিউটর তামিম বলেন, সংবিধান ও ট্রাইব্যুনাল আইন স্পষ্টভাবে বলে দিয়েছে, সেনা কর্মকর্তাদের বিচার ট্রাইব্যুনালে হতে কোনো বাধা নেই। তিনি আরও বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন সংবিধান দ্বারা রক্ষা করা হয় এবং সংবিধানই বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আইন।
অন্য কোনো আইন যদি ট্রাইব্যুনাল আইনের সাথে সাংঘর্ষিক হয়, তবে সেই আইন বাতিল হয়ে যাবে। সংবিধানের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনাল আইনের কোনো অংশ বাতিল হবে না এবং এটি সর্বদা প্রাধান্য পাবে।
তিনি আরও জানান, আইনটি সকল সিভিলিয়ান ও ডিসিপ্লিনারি বাহিনী-কে বিচার করার ক্ষমতা প্রদান করে। প্রসিকিউটর তামিমের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, ডিসিপ্লিনারি বাহিনী বলতে প্রথমে আর্মি, এরপর নেভি, এয়ারফোর্স, পুলিশ, র্যাব এবং অন্যান্য গোয়েন্দা সংস্থা বোঝানো হয়েছে।
আইন প্রণয়নের সময় থেকেই আর্মির সদস্যদের ট্রাইব্যুনালে বিচার করার ক্ষমতা অন্তর্ভুক্ত ছিল। কর্মরত সেনাদের ক্ষেত্রে সেনা আইনে বিচার করার সুযোগ নেই; তাদের বিচার এই ট্রাইব্যুনাল আইন অনুযায়ী হবে।
মন্তব্য করুন
