

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


জেদ্দা থেকে আসা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি হজ ফ্লাইটের লাগেজ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া চুরির অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ। অভ্যন্তরীণ তদন্ত ও বিভিন্ন নিরাপত্তা রেকর্ড পর্যালোচনার পর এ তথ্য জানানো হয়।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের মহাব্যবস্থাপক (এয়ারপোর্ট সার্ভিসেস) শাহ্নূর আহমাদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে গতকাল ২ জুন ৪১৯ জন হাজি নিয়ে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিশেষ হজ ফ্লাইট ঢাকায় পৌঁছায়। এর পরপরই ‘মোস্তফা কামাল পলাশ’ নামের একটি ফেসবুক আইডি থেকে দাবি করা হয়, ওই ফ্লাইটের প্রায় ১৫০ জন যাত্রীর লাগেজ কেটে মালামাল চুরি করা হয়েছে।
তবে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের এয়ারপোর্ট সার্ভিসেস বিভাগ জানায়, ফ্লাইটটি অবতরণের পর ৮৩৬টি ব্যাগ সম্পূর্ণভাবে ব্যাগেজ বেল্টে পৌঁছে দেওয়া হয়। এতে প্রাথমিকভাবে মাত্র ৫ থেকে ৬ জন যাত্রী তাদের ব্যাগ ছেঁড়া বা কাটা অবস্থায় পাওয়ার কথা মৌখিকভাবে জানান। তাদের ব্যাগে জমজমের পানি, শ্যাম্পু, লোশন ও খেজুর ছিল। কোনো যাত্রীই আনুষ্ঠানিকভাবে মালামাল হারানোর অভিযোগ দেননি। একজন মৌখিকভাবে মানিব্যাগ হারানোর অভিযোগ করেছেন।
বিমান জানায়, সৌদি আরবের নিয়ম অনুযায়ী চেকড ব্যাগেজে জমজমের পানি এবং যথাযথভাবে সিল না করা তরল প্রসাধন সামগ্রী বহন নিষিদ্ধ। এ ধরনের সামগ্রী স্ক্যানিংয়ের সময় ধরা পড়লে নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষ ব্যাগ খুলে বা প্রয়োজন হলে কেটে সেগুলো জব্দ করে থাকে। এ ছাড়া আন্তর্জাতিক নিয়ম অনুযায়ী বুকড লাগেজে নগদ অর্থ বা মানিব্যাগ বহন নিষিদ্ধ।
ঢাকা বিমানবন্দরে লাগেজ মিসহ্যান্ডলিং বা চুরির কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে বিমানের অভ্যন্তরীণ তদন্তে উঠে এসেছে।
